আর কোনো লুকোছাপা নয়, কানা–ঘুষা নয়, নয় কোনো তর্ক–বিতর্ক, লিওনেল মেসিই সর্বকালের সেরা! কথাটি আর কারো নয়, ‘দ্য ফেনোমেনন’ রোনাল্ডো নাজারিওর। আর্জেন্টাইন জাদুকরের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি, বিশ্বকেও বললেন মেনে নিতে।
উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মেসির দুর্বার পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনা শুভসূচনা করেছে ৩–০ গোলে জিতে। ম্যাচটিতে হ্যাটট্রিকের আলো ছড়িয়ে, ইতিহাসের অনেক পাতায় ওলট–পালট করে দিয়েছেন মেসি। বয়সকে স্রেফ সংখ্যা বানিয়ে অদম্য ছুটে চলা এই মেসিকে দেখে রোনাল্ডোর মুগ্ধতা যেন ছাপিয়ে গেল সবকিছু। ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী এই স্ট্রাইকার মেসির সর্বকালের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে একটু–আধটু উস্কে ওঠা বিতর্কের ইতি টেনে দিলেন। ‘রেকর্ড গড়াই হয় ভাঙার জন্য এবং যে মানুষ এটি ভাঙল, তা বিশ্বের কোনো ফুটবল সমর্থককেই বিস্মিত করেনি। আর্জেন্টিনা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, (এবারের আসরেও ফেভারিট)। যখনই মেসি মাঠে নামে, তখনই সবকিছু ঐতিহাসিক এবং দৃষ্টিনন্দন হয়ে ওঠে। বিশ্বের এখন সব লুকোছাপা বন্ধ করে মেনে নেওয়া উচিত, সে–ই সর্বকালের সেরা।’
আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মেসির নিজেকে মেলে ধরা রাতটি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, মনে করেন এই ব্রাজিলিয়ান গ্রেট। ‘সে প্রতিটি মৌসুমে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করছে এবং বিশ্বকাপেও। তারপরও তাকে (তার শ্রেষ্টত্ব) নিয়ে সংশয় রয়ে যাবে। কিন্তু, সে যে রাতটি কাটাল, এটা ইতিহাসের পাতায় অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক রাত হিসেবে রয়ে যাবে।’
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার চূড়ায় ওঠার আগে দ্বিতীয় গোলটি করে মেসি পেছনে ফেলে দেন রোনাল্ডোকে (১৫টি)। ম্যাচ শেষে এ নিয়ে মেসিকেও প্রশ্ন করা হয়। রোনাল্ডোকে নিজের দেখা গ্রেট ফুটবলারের মালা পরিয়ে দেন তিনিও। ‘রোনাল্ডো, আমি যাদের খেলা দেখেছি, সেই গ্রেটদের মধ্যে তিনি একজন। (সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়) তিনি শীর্ষে নন, তাই এটা স্রেফ পরিসংখ্যানই।’











