মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন

| রবিবার , ১৬ আগস্ট, ২০২৬ at ৭:৫৬ পূর্বাহ্ণ

মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি, চট্টগ্রাম কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের (২০২৬২০২৯ইং) ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম ও মুসলিম এডুকেশন সোসাইটির সভাপতি ড. মো. জিয়াউদ্দীনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জামশেদ আলমের উপস্থিতিতে সোসাইটির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন ২০২৬২০২৯ইংএর প্রিজাইডিং অফিসার এডভোকেট নাসির উদ্দিন আহামদ খাঁন (রনি) নির্বাচনের এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। দুইজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন যথাক্রমে অধ্যাপক কাজী শাহাদাৎ হোসাইন ও নাজমুল হক চৌধুরী। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন আহমেদ উল আলম চৌধুরী (রাসেল)। সহসাধারণ সম্পাদক পদে আলহাজ্ব সৈয়দ নেছার উদ্দিন (বুলু), সাংস্কৃতিক ও প্রচার সম্পাদক পদে অধ্যক্ষ (অব🙂 শরীফ এম. মহিসউদ্দৌলা এবং জিয়া উদ্দীন খালেদ চৌধুরী কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হন।

১৮জন নির্বাহী সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচিত সদস্যরা হলেন, যথাক্রমে: ডা. কিউ এম অহিদুল আলম, আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন, জাহিদুল করিম (কচি), ডা. মুহ: শাহ আলম, ডা. মো. আবু নাছের, মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেইন, . এম. জিয়া হাবিব আহসান (এডভোকেট), এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ, এডভোকেট আবদুল খালেক শাহজাহান, মো. বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট এস.এম ইকবাল চৌধুরী, এডভোকেট জায়েদ বিন রশিদ, মো. হাফিজুল ইসলাম মজুমদার (মিলন), এডভোকেট মাহমুদউল আলম চৌধুরী, মো. রবিউল হোসেন (রবি), রিয়াজুল ইসলাম, আহ হাসানাত চৌধুরী ও মোহাম্মদ আলী খাঁন রুবেল।

উল্লেখ্য, সোসাইটির নির্বাচনের জন্য গত ৩০ জুলাই তফসিল ঘোষণা করে ১৫ আগস্ট নির্বাচনের দিন ধার্য্য করা হয়। গত ১৮/১০/২০২৫ইং সোসাইটির সংশোধনী গঠনতন্ত্র মোতাবেক গঠনতন্ত্রের () () ২০১২ সালের সংশোধিত ধারা বাতিল পূর্বক গঠনতন্ত্রের ১()ধারা পুনর্বহাল করা হয়।

১৮জন নির্বাহী সদস্যের জন্য ২৪জন মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে। গত ৭ আগস্ট মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে ২২টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ৯ আগস্ট দুইজন নির্বাহী সদস্য পদ প্রার্থী আবদুল আলম ও এডভোকেট কানিজ কাউচার চৌধুরী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেন। উক্ত পদগুলোতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় সবাইকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধদেশ ও গণতন্ত্রের জন্য খালেদা জিয়ার আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে