বাণিজ্যিক রাজধানী গড়তে নগর সরকার প্রয়োজন : মেয়র

| রবিবার , ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ

দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্বার্থে চট্টগ্রামকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সিটি গভর্মেন্ট (নগর সরকার) প্রতিষ্ঠা অত্যাবশ্যক বলে মন্তব্য করেছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইকোনোমিকস অলিম্পিয়াড ২০২৬এর চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নগর সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে নগরের বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত হবে, ফলে উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল দ্রুত ও সহজে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।

প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী তাদের অর্থনৈতিক জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতার পরিচয় দেয়।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার প্রধান বক্তা ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডের চেয়ারম্যান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। মূল বক্তা ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, চলচ্চিত্র নির্মাতা সাইদ খান সাগর এবং ব্রাক ব্যাংকের চট্টগ্রাম রিজিওনাল হেড কায়েস চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডের অ্যাম্বাসেডর মো. মানসুরুল হক।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক একটি বিষয় নিয়েও যে এত সুন্দরভাবে তরুণদের মাঝে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যায় তা প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ ইকোনমিকস অলিম্পিয়াড এর আয়োজকরা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ইকোনমিকস অলিম্পিয়াডের উত্তরোত্তর আগ্রহ সব জায়গায় বাড়ছে। ইকোনমিকসের দুইটা দিক, একটা সাব্জেক্টিভ, আরেকটা প্রায়োগিক। ইকোনমিকস অলিম্পিয়াড এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ইকোনমিকসের প্রায়োগিক দিক দিয়ে প্রত্যেক নাগরিককে সক্ষম করে তোলা।

পূবালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বাংলাদেশে ডিজিটাল কারেন্সির গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ১৭ জানুয়ারি দিনব্যাপী এই আয়োজনে তিন স্তরের ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীরা অর্থনৈতিক জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা প্রদর্শন করে মেধার স্বাক্ষর রাখেন। পরীক্ষামূলক বাছাই পর্ব শেষে তিনটি ক্যাটাগরিতে শীর্ষ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। জুনিয়র ক্যাটাগরিতে মোসা. সুমাইয়া ইসলাম, মো. আনিসুর রহমান এবং আদিত্য রাজন্না; ইন্টারমিডিয়েট বিভাগে মোহাম্মদ উহান্না মো. আলমান চৌধুরী এবং মো. সাদিক রাশিদ ধন্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এডভান্স ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা হলেনসাইয়রনা সোলাইমান সুবাহ, হুরজান্নাত এবং জয় গোপাল বণিক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধপ্রধান উপদেষ্টাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান
পরবর্তী নিবন্ধনির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখালে ব্যবস্থা