নগরীর বাকলিয়ার সৈয়দ শাহ রোড এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মামলার প্রধান আসামি মো. মুরাদ ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দুই সহযোগী হলেন মো. সুমন ও রুহুল আমিন। গত মঙ্গলবার রাতে পটিয়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. মুরাদের বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে। তার বাড়ি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া এলাকায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে বাকলিয়া এলাকায় বসবাস করে আসছেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি মুরাদ বাহিনীর মুরাদ নামে পরিচিত। নিজেকে পরিচয় দিতেন যুবদলের কর্মী হিসেবে।
দুই সহযোগীসহ মো. মুরাদকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়ে সিএমপি থেকে বলা হয়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ার এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জনসাধারণের জানমালের ক্ষতি ও নাশকতা সৃষ্টিসহ রাস্তায় চলাচলরত সিএনজি অটোরিঙার গ্লাস ভাংচুর ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনায় বাকলিয়া থানায় মো. মুরাদকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মুরাদের কাছ থেকে ইয়াবা নিয়ে বিক্রি করতেন মো. জসিম নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু বছরখানেক আগে দুজনের সম্পর্ক ভেঙে যায়। মুরাদের কাছ থেকে ইয়াবা নেওয়া বন্ধ করে অন্য উৎস থেকে মাদক সংগ্রহ শুরু করেন জসিম। গুরু মুরাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে এলাকায় নিজের বলয় তৈরি করেন। গড়ে তোলেন কিশোর গ্যাং। এরপর মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, জায়গা দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শুরু হয় দুজনের বিরোধ। সেই বিরোধের জেরেই মূলত গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে সৈয়দ শাহ রোডে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। একাধিক গুলির শব্দও শোনা যায়। চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে আতংক।












