বিভিন্ন সময়ে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চট্টুগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়নগুলো, তৎমধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ৩নং খানখানাবাদ ইউনিয়নের বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী বর্তমানে ভয়ংকর বিধস্ত বেড়িবাঁধ সংলগ্ন প্রেমাশিয়া গ্রামসহ তৎসংলগ্ন কদমরসুল রায়ছটা ও খানখানাবাদ। কিন্ত এসব গ্রামে এখনো আশানুরূপ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।
অপর দিকে প্রেমাশিয়া রায়ছটা ঈশ্বরবাবুর হাট পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার উপকূলীয় সংযোগ সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক হলেও বিগত প্রায় আড়াই যুগ ধরে চলাচলের অযোগ্য হলেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মুখে মুলো কানে তুলো দিয়ে জনমানুষের নিত্যকার আবর্ণনীয় দুঃখ কষ্টের কান্না দেখেও না দেখার ভান করে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থী ও পথচারীর জনভোগান্তি নিরসনে কেন এগিয়ে আসছেনা তা বোধগম্য নয়? তবে স্থানীয় সাংসদ অনেক অবহেলিত এলাকায় রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজ শুরু করেছে তার জন্য তাকে সাধুবাদ জানাই। উক্ত সড়কটি এবং দীর্ঘদিন অত্র এলাকাবাসী অবহেলার শিকার সর্বোপরি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, উপজেলার সদর ও হাসপাতাল ও শহরে গমনাগমনের একমাত্র রাস্তা বিধায় বিশেষ করে মা–বোনের ডেলিভারী চিকিৎসা ও বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের শহরে চিকিৎসা সংক্রান্ত যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা বিধায় অবিলম্বে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে জরুরি সংস্কারের জন্য সম্মানিত সাংসদ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ মহোদয়ের প্রতি সবিনয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জোর দাবী জানাচ্ছি।
এস.এম ফরিদুল আলম,
বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।











