বাঁশখালীতে বিদ্যুতের লুকোচুরি আর কতদিন

| বুধবার , ১৩ মে, ২০২৬ at ৭:৩৮ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিদ্যুতের অনিয়মিত আসাযাওয়া এখন মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগে পরিণত হয়েছে। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসে না, ফলে পুরো এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে পরীক্ষার্থীরা। তাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিরবচ্ছিন্ন পড়াশোনার প্রয়োজন হলেও বিদ্যুতের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে রিভিশনের সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে দীর্ঘ সময় অন্ধকারে বসে থাকতে হয়, ফলে পড়ার ধারাবাহিকতা নষ্ট হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় শারীরিক ক্লান্তি বাড়ছে, আর বারবার এমন পরিস্থিতিতে মানসিক চাপও বাড়ছে। অনলাইন পড়াশোনাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তা আর দুশ্চিন্তার মধ্যেই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

প্রচণ্ড গরমে ঘরে থাকা হয়ে ওঠে অসহনীয়। শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন, ঠিকমতো বিশ্রাম না পাওয়ায়, বাড়ছে ক্লান্তি ও অস্বস্তি। পাশাপাশি দোকানপাট ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ও নেমে এসেছে স্থবিরতা, বাড়ছে আর্থিক ক্ষতি।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বারবার অভিযোগ করার পরও এখনো কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। এতে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা ক্রমেই বাড়ছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

মো. হেফাজ উদ্দিন

শিক্ষার্থী,

বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসুকান্ত ভট্টাচার্য : রবীন্দ্রোত্তর বাংলা কবিতার বৈপ্লবিক কবি
পরবর্তী নিবন্ধমায়ের আত্মত্যাগ