টানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বিভিন্ন সংগঠন।
ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট বাংলাদেশের ৩৫ ক্লাব : টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠন ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮ বাংলাদেশ। সংগঠনটির আওতাধীন ৩৫টি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে গতকাল শনিবার সকালে বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে দুই শতাধিক প্যাকেট জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ইনার হুইল ক্লাব অব ইম্পেরিয়া ঢাকার প্রেসিডেন্ট মমতাজ জাহান হ্যাপি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজন অনেক বেশি। সেই তুলনায় এই সহায়তা সামান্য হলেও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮ বাংলাদেশের ৩৫টি ক্লাব দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮ বাংলাদেশের ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান শামীম খন্দকার বলেন, মানবসেবাই ইনার হুইল বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে থাকার এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এই মানবিক উদ্যোগে অংশ নেয় ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮ বাংলাদশের অন্তর্ভূক্ত ইনার হুইল ক্লাব অব ধানমন্ডি, বারিধারা, গুলশান এভারগ্রিন, মতিঝিল, ঢাকা কসমোপলিটান, নাইটিংগেল, বসুন্ধরা কুইন্স, গ্যালাক্সি ঢাকা, লুমিনাস, সানফ্লাওয়ার, লোটাস বগুড়াসহ ডিস্ট্রিক্টের মোট ৩৫টি ক্লাব।
আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত : সামপ্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর মাতারবাড়ি এলাকার বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশে আলজেরিয়ার নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল ওয়াহাব সাইদানী। মানবিক সংহতি ও সহমর্মিতার অংশ হিসেবে তিনি শনিবার (১৮ জুলাই) ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ব্যাপক ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন রিজেন্ট হোম লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও আলজেরিয়া–বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মুহাম্মদ ফরহাদ উদ্দিন সোহেল। ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন আলজেরিয়া দূতাবাসের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা এ.কে.এম. সাইদাত হোসেন, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি এস.এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু), ডা. মোহাম্মদ ইয়াকুব, শিক্ষক মো. নাছির উদ্দীন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মাদ্রাসা শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ব্যবসায়ী জাহিদ হোসেন রুবেল প্রমুখ।
বাবুল্যান্ড : চট্টগ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বন্যাদুর্গত পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলো বাবুল্যান্ড লিমিটেড। সামপ্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে বাবুল্যান্ড লিমিটেড। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যাকবলিত পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে বাবুল্যান্ডের কর্মকর্তা ও হ্যাপি হেল্পার সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের খোঁজখবর নেন এবং এই দুর্যোগের সময়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। চট্টগ্রামের সঙ্গে বাবুল্যান্ডের রয়েছে একটি বিশেষ সম্পর্ক। বর্তমানে নগরীর কোহিনূর সিটি, বহদ্দারহাট, হালিশহর ও জামালখান–এই চারটি শাখার মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো শিশু ও পরিবারের আনন্দের সঙ্গী হয়ে আছে প্রতিষ্ঠানটি। স্থানীয় সমপ্রদায়ের একটি দায়িত্বশীল অংশীদার হিসেবে চট্টগ্রামের মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোকে বাবুল্যান্ড তার সামাজিক দায়িত্বেরই অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। ‘শিশু ও পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোই বাবুল্যান্ডের মূল লক্ষ্য। তবে আমাদের বিশ্বাস, একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে সমাজের সংকটময় সময়েও মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমান গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত মানুষের জন্য এই ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম আমাদের সেই মানবিক দায়বদ্ধতারই একটি ছোট প্রয়াস।’ বাবুল্যান্ড বিশ্বাস করে, পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধের মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী ও মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে। ভবিষ্যতেও দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও প্রয়োজনের সময়ে মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রাম : বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে রোটারি ক্লাব অব ইসলামাবাদ, চট্টগ্রাম। ক্লাবের সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতায় গত ১৬ জুলাই চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের রাখাইন পাড়া ও কাটাখালি (হারবাং ১ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকায় প্রায় শতাধিক বন্যাকবলিত পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ক্লাবের সদস্যরা দুর্গত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে সরাসরি ত্রাণ প্যাকেট তুলে দেন। প্রতিটি ত্রাণ প্যাকেটে চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, আলু, পেঁয়াজ, লবণ, চিড়া, বিস্কুট, বিশুদ্ধ খাবার পানি, স্যালাইন, সাবান, মোমবাতি, দেশলাই এবং প্রাথমিক ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ছিল। যা একটি পরিবারের ৪/৫দিনের প্রয়োজন মেটাবে। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান মো. সেলিম রেজা সাগর। এ সময় রোটারি ক্লাবের সদস্যদের পাশাপাশি রোটার্যাক্ট ক্লাব অব ইসলামাবাদের বর্তমান সভাপতি তানিয়া মাহি ও ক্লাবের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নেন।
এপেক্স বাংলাদেশ ও রোটারি ক্লাব চিটাগাং খুলশী সেন্ট্রাল : এপেক্স বাংলাদেশ ও রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং খুলশী সেন্ট্রালের যৌথ উদ্যোগে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বান্দরবান, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলার অসহায় পরিবারের মাঝে ৬০০টি খাদ্য সহায়তা প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) আয়োজিত এ মানবিক সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং খুলশী সেন্ট্রালের অতীত সভাপতি রোটারিয়ান সৈয়দ মোহাম্মদ আজিজ নাজিমউদ্দিন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের অতীত জাতীয় সভাপতি ও লাইফ গভর্নর এপেক্সিয়ান রিজওয়ান শাহিদী, জাতীয় সহ–সভাপতি এপেক্সিয়ান মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় সেবা পরিচালক এপেক্সিয়ান অ্যাডভোকেট মীর মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম সেলিম, জেলা–৩–এর সদ্য অতীত জেলা গভর্নর এপেক্সিয়ান সৈয়দ মিয়া হাসান, রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং খুলশী সেন্ট্রালের সভাপতি রোটারিয়ান মো. শাইফুদ্দিন, অতীত ডেপুটি গভর্নর রোটারিয়ান মুবীনুল হক মুমিন, মোহাম্মদ ফরহাদ হোসাইন, ভাইস প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান মোহাম্মদ হাসান, রোটারিয়ান মো. সাজ্জাদ হোসাইন, এপেক্স ক্লাব অব পটিয়ার জুনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এপেক্সিয়ান মো. আবু সাঈদ তালুকদার খোকন, সেক্রেটারি ও ডিনার নোটিশ এডিটর এপেক্সিয়ান মো. নাঈম উদ্দিন আলমদার, শিক্ষক মো. আফসার উদ্দিন, সমাজসেবক ও ছাত্রনেতা শোয়াইবুল ইসলাম, মাওলানা হাফেজ আব্দুর রহমান, মাওলানা গোলাম আজম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, কাইছারুল ইসলাম, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
শামছুন্নাহার বেগম এমপি : দুর্যোগে দেশের এক অঞ্চলের মানুষ কষ্ট পাবে, আরেক অঞ্চলের মানুষ আনন্দ–উৎসবে মেতে থাকবে–এটি বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র নয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংরক্ষিত মহিলা আসন–৪৩ এর সংসদ সদস্য শামছুন্নাহার বেগম এমপি। গত ১৮ জুলাই সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের দুইটি ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত এই আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তিনি অপেক্ষায় ছিলেন কখন বন্যার্ত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে পারবেন। এই কার্যক্রমে সহযোগিতায় ছিল তাহজিব তমদ্দুন। দুই ধাপে নগদ অর্থ বিতরণ শেষে তিনি বাজালিয়া এলাকার একটি মাদরাসায় গিয়ে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান করেন এবং সার্বিক খোঁজখবর নেন। প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন এডভোকেট আনোয়ার আলম চৌধুরী, আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, দক্ষিণ জেলা; মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম, আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, উত্তর সাতকানিয়া (সাঙ্গু) সাংগঠনিক শাখা; এডভোকেট ইলিয়াস হোসেন, সেক্রেটারি, উত্তর সাতকানিয়া (সাঙ্গু) সাংগঠনিক শাখা; মাসুদুর রহমান, আমীর, বাজালিয়া ইউনিয়ন; আবু জাফর সিকদার, সভাপতি, আলোকিত পুরানগড়; সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান গুলশান হোসাইন, তাহজিব তমদ্দুনের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ও সেক্রেটারি সাইফুল্লাহ মুহাম্মদ সায়েম; এবং স্থানীয় পুরানগড় ও বাজালিয়ার দায়িত্বশীলবৃন্দ।
পটিয়া জিরি জনকল্যাণ সংঘ : চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় জিরি জনকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে জিরি ফকিরা মসজিদসংলগ্ন সংগঠনের কার্যালয়ে ১৩০টি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, দুধসহ শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। সংগঠনের সভাপতি নাছির উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিকদার সুমনের সঞ্চালনায় আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের স্থায়ী পরিষদের সদস্যসচিব সামশুল হুদা চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ–সভাপতি মো. রাশেদুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমতিয়াজ চৌধুরী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. শাকেদুল হক শাকিল, প্রচার সম্পাদক মোরশেদ আলম, সহ–ক্রীড়া সম্পাদক মো. আরমান, দপ্তর সম্পাদক মো. ইয়াকুব, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সদস্য মো. তানভীর প্রমুখ। এর আগে প্রথম দফায় বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের ২০০টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হয়। ওই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জিরি জনকল্যাণ সংঘের সাবেক সভাপতি ও জিরি জনকল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশন : বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নে বন্যদুর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্থ প্রায় ২০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন– বাংলাদেশ হিন্দু ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ কান্তি চৌধুরী, ভাইচ–চেয়ারম্যান অধ্যাপক হারাধন নাগ, সাবেক মহাসচিব শ্যামল কুমার পালিত, অ্যাড. নিতাই প্রসাদ ঘোষ, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিশ্বজিৎ পালিত, অমিত হোড়, সুভাষ দাশ, তন্ময় সেনগুপ্ত, হরিপদ চৌধুরী বাবুল, কে এম সালাউদ্দিন কামাল, অধ্যাপক মবিনুর রহমান চৌধুরী, অ্যাড. শেখর দত্ত, সঞ্চয় চক্রবর্তী মানিক, ইমন নন্দী, উৎস দে এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য নন্দন দে প্রমুখ।
আনোয়ারা : আনোয়ারা প্রতিনিধি জানান, আনোয়ারায় বন্যার পানিতে ডুবে নিহত শিশুর পরিবারকে অর্থসহায়তা প্রদান করেছেন সমাজকর্মী এডভোকেট নুরুল কবির রানা। গত শনিবার উপজেলার চাতরী ইউনিয়ন গাজী মোল্লার বাড়ীর মোহাম্মদ আজিমের নিহত শিশু পুত্র রাহিমুল ইসলামের পরিবারকে অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।
২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ড : চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের বালুছড়া তুফানি রোড এলাকায় শ্রমিক ও দুস্থ মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল এমপির পক্ষ থেকে এ ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিক দলের নেতা ইয়াছিন, চট্টগ্রাম নৌ শ্রমিক দলের সভাপতি মো. সম্রাট, নাসিরাবাদ শিল্পাঞ্চল শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আজিম, বায়েজিদ থানা শ্রমিক দলের সাবেক সহ–সভাপতি মো. রুবেল, সেলিম উল্লাহ, রায়হানসহ শ্রমিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সামপ্রতিক দুর্যোগে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী ও অসহায় মানুষের জীবন–জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাদের পাশে দাঁড়ানো শুধু সামাজিক দায়িত্ব নয়, মানবিক কর্তব্যও। পরে শ্রমিক ও দুস্থ পরিবারের সদস্যদের হাতে খাদ্যসামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।












