নগরীর প্রাণকেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম এলাকা জামালখানকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন রূপে গড়ে তুলতে ‘সৌন্দর্যবর্ধন’ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে জামালখান মোড়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, জামালখান চট্টগ্রামের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অনন্য মিলনস্থল। আমাদের লক্ষ্য হলো এই এলাকার ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক নাগরিক সুবিধার সমন্বয় ঘটানো। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জামালখান শুধু চট্টগ্রামের নয়, সারা দেশের একটি মডেল ও নান্দনিক এলাকায় পরিণত হবে।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় জামালখান এলাকার ফুটপাত প্রশস্ত ও পথচারীবান্ধব করা হবে। সড়কের দুই পাশে পরিকল্পিতভাবে শোভাবর্ধক বৃক্ষরোপণ, আধুনিক ‘স্মার্ট পোল’ স্থাপন ও দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচিত্র তুলে ধরতে ম্যুরাল ও টেরাকোটা শিল্পকর্ম স্থাপন করা হবে, যা এলাকাটিকে একটি শৈল্পিক আবহ দেবে।
মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহরকে সুন্দর রাখার দায়িত্ব শুধু সিটি কর্পোরেশনের নয়, নাগরিকদেরও। নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা এবং স্থাপনাগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে সচেতন থাকলেই এই সৌন্দর্য দীর্ঘস্থায়ী হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. গোলাম কাদের চৌধুরী নোবেল, সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মওলা মুরাদ, চসিকের বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হাসান জয়, সমাজসেবক শাহেদ বঙ, তৌহিদুল ইসলাম নিশাদ, মো. দিদার, ফারুক ও আহমেদসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












