দোলনায় বসাকে কেন্দ্র করে পর্যটক-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ, আহত ১২

সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সৈকত

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি | রবিবার , ১০ মে, ২০২৬ at ৭:২৫ পূর্বাহ্ণ

সীতাকুণ্ডে মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের সাথে এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ৮ জন ঢাকা থেকে আসা পর্যটক। গতকাল শনিবার সকালে এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সৈকতে দোলনায় বসাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকার ব্যবসায়ী ও ঢাকা থেকে আসা পর্যটকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিয়াখালী সৈকত কমিটির মো. শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা থেকে গুলিয়াখালী সৈকতে আসা একটি পর্যটক গ্রুপ দোলনাতে বসতে গিয়ে সেটি ভেঙে নিচে পড়ে যায়। এ নিয়ে পর্যটক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে বলে আমি জানতে পেরেছি।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. ফজলে রাব্বি, তাজিম, শেখ আবরার, মো. রাদ, মো. রাজু, সৈয়দ তাসফিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, মো. আলিফ। তারা বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী এবং মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও ঢাকা থেকে এসেছেন। আহত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা ১০ বন্ধু গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে এসেছি। কিন্তু আমরা একটু দূরে ছিলাম। দোলনায় বসাকে কেন্দ্র করে দুজন বন্ধুকে একা পেয়ে স্থানীয় লোক ও ব্যাবসায়ী একত্রিত হয়ে হামলা চালায়। বিষয়টি আমরা সমাধান করতে গেলে তারা আমাদের উপরও হামলা করে। এসময় আমাদের ৮ বন্ধু আহত হয়। এছাড়াও তারা আমাদের বন্ধুদের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। উপয়ান্তর না দেখে আমরা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। তবে পুলিশ আসার আগেই তারা মোবাইল ফেরত দিয়ে দেয়।

জানা যায়, আহত ৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও রাব্বিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তার অবস্থা খুব একটা ভালো নাই।

এদিকে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পর্যটকদের ওই এলাকা থেকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হামলায় জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগও করেনি। অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধগুমাইবিলে ফলন ভালো, তবু হাসি নেই কৃষকের মুখে
পরবর্তী নিবন্ধইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা