যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন তার রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন স্তরের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে আগামীতে জ্বালানি তেলের (গ্যাসোলিন) দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন দেশটির অধিকাংশ নাগরিক। সোমবার শেষ হওয়া বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপ সংস্থা ইপসোস’র এক যৌথ জনমত জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ৩৫ শতাংশ নাগরিক হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, যা মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে করা আগের জরিপের সমান। এই হার তার চলতি মেয়াদের সর্বনিম্ন রেটিং ৩৪ শতাংশের (এপ্রিলের জরিপ) চেয়ে এক পয়েন্ট বেশি এবং প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন রেটিং ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের ৩৩ শতাংশের খুব কাছাকাছি। খবর বিডিনিউজের।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার কারণে সামপ্রতিক মাসগুলোতে মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের ওপর অসন্তুষ্ট। এই যুদ্ধের জেরেই দেশটিতে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। সমপ্রতি ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার গুঞ্জনে জ্বালানির দাম কিছুটা কমলেও ৫৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করছেন আগামী এক বছরে তেলের দাম আরও বাড়বে। বিপরীতে মাত্র ১৭ শতাংশ মানুষ পরিস্থিতি ভালোর দিকে যাওয়ার আশা করছেন। বাকিরা কোনো মন্তব্য করেননি বা দাম একই থাকবে বলে মনে করছেন। ছয় দিন ধরে এই অনলাইন জরিপটি চালানো হয়।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলার শুরু করলে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে দ্রুত যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পাল্টা জবাবে ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ও ইসরায়েলে ইরানও আক্রমণ শুরু করে। এ সময় ওই অঞ্চলের একটি সংকীর্ণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যকরভাবে বন্ধ করে দেয় ইরান। বন্ধ করার আগে এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল–গ্যাস বাণিজ্যের এক পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির কারণে দুই পক্ষের হামলা–পাল্টা হামলার গতি কমলেও শান্তি আলোচনা এখনো কোনো স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি।












