কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচার চক্রের গোপন আস্তানায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে নারী ও শিশুসহ ৬৯ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকেলে বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পের বাসিন্দা। তবে আটক পাচারকারীদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
বিজিবি জানায়, সোমবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালী পাড়ায় মোহাম্মদ শক্কুর নামের এক ব্যক্তির বাড়ির পাশের আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। সেখানে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষকে জড়ো করা হয়েছিল। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ৮–১০ জন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে তিন পাচারকারীকে আটক করা হয়। ওই আস্তানা থেকে ৫ জন পুরুষ, ২০ জন নারী ও ৩৩ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাচার কাজে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশা ও দুটি খালি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়। অন্যদিকে, বিকেলে টেকনাফ সদরের নাজিরপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে আরও ১১ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে বিজিবি। তাদের মধ্যে ৪ জন নারী ও ৭ জন শিশু রয়েছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল হানিফুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে যাদের আইডি কার্ড রয়েছে, তাদের নিজ নিজ ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হবে। আর যাদের কার্ড নেই, তাদের মিয়ানমারে পুশব্যাক করা হবে। আটক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।













