আর্থিক সীমাবদ্ধতা যেন মেধার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছেন ‘ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক–দৈনিক আজাদী বৃত্তি’। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদে অধ্যয়নরত মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অনুপ্রেরণা জোগাতে দীর্ঘদিন ধরে এ বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে চলতি বছরের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১ম ও ২য় বর্ষ অনার্স পরীক্ষার যৌথ ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত তৃতীয় বর্ষের দুই শিক্ষার্থী এ বৃত্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন। পাশাপাশি কলা ও মানববিদ্যা, বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, জীববিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং, শিক্ষা এবং মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ থেকে একজন করে মোট আটজন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।
এ বছর সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধীনে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে বৃত্তি পেয়েছেন মো. তারিকুল ইসলাম ও উম্মে সালমা সামিয়া। কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ থেকে আরবি বিভাগের আবুল হাসান মোহাম্মদ রিয়াদ, বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের সানজানা শাহীন অপি এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের সানজিদা সিদ্দিকা নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া আইন অনুষদ থেকে আইন বিভাগের মারজানা ইসলাম, জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে ফার্মেসি বিভাগের তাহমিনা হক নুহা, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তানভিউল শরাফ অভি, শিক্ষা অনুষদ থেকে ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের মো. আশরাফুল আলম মজুমদার মেহেদী এবং মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ থেকে ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের তাসনিম রহমান রিমু এ বৃত্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ লাখ টাকার একটি স্থায়ী আমানতের লভ্যাংশ থেকে প্রতি বছর এ বৃত্তি প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি তাদের আর্থিক অবস্থাও বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধা চর্চা, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মেধাবীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে চালু হওয়া এই বৃত্তি প্রতি বছর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।












