চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক লাগোয়া চকরিয়ার ডুলাহাজারার মালুমঘাট এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমি দখলে নিয়ে নির্মিত অন্তত ২০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই সাঁড়াশি অভিযান চালায় বনবিভাগ। এ সময় উচ্ছেদ করা হয় একদল রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত কর্তৃক দফায় দফায় নির্মিত এসব অবৈধ স্থাপনা।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের শিক্ষানবিশ সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. কামরুল হাসান। সাথে ছিলেন ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. খসরুল আমিন, ডুলাহাজারা বনবিট কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আমিনসহ একাধিক বনবিটের কর্মকর্তা–কর্মচারীসহ সিপিজি দলের সদস্যরা।
উল্লেখ, ‘চকরিয়ায় বনভূমি দখল, স্থাপনা নির্মাণ’ শিরোনামে গত ২০ মে দৈনিক আজাদীতে প্রধান প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বনবিভাগ সেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কার্যক্রম শুরু করে।
দ্বিতীয় দফায় উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. খসরুল আমিন। তিনি বলেন, ‘মালুমঘাট হাসিনা পাড়ার সামনে সংরক্ষিত বনের বিপুল পরিমাণ জায়গা দখলে নেয় একদল প্রভাবশালী। সেখানে রাতারাতি অসংখ্য স্থাপনা নির্মাণ করলে গত ১৭ মে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তা উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়। এ সময় বনবিভাগের কর্মীদের ওপর চড়াও হয় দখলবাজ–সন্ত্রাসীরা। এর পর আমরা চলে আসার পর সেখানে ফের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে এবং আগের চেয়ে আরো বেশি অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে।’
রেঞ্জ কর্মকর্তা আরো জানান, দ্বিতীয় দফায় গড়ে তোলা সেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়। অবশেষে আইন–শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে নির্মিত অন্তত ২০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এই বিষয়ে বন আইনে ফের মামলা রুজু করা হয়েছে।












