হেলদি ওয়ার্ড খ্যাত জামালখানে দীর্ঘদিন ধরে খাবার হোটেল হিসেবে গ্রান্ড শিকদার হোটেল ব্যবসা করে আসছে। প্রতিদিন এই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে স্কুল–কলেজ ও কোচিং সেন্টারগামী শত শত অভিভাবক, শিক্ষক–শিক্ষার্থী এই হোটেলে খাবার খেয়ে আসছেন। রাতারাতি পরিচিতি পাওয়া এই হোটেলের অন্তরালে রয়েছে নোংরা, অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য রান্না, উৎপাদন ও পরিবেশনের চিত্র। হাজার হাজার ভোক্তাকে প্রতিদিন নোংরা পরিবেশে রান্না করা খাবারসহ ময়লা–বাসি খাবার খাওয়ানো হচ্ছে এই গ্রান্ড শিকদার হোটেলে।
গতকাল বুধবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে গ্রান্ড শিকদার রেস্টুরেন্টকে এই ধরনের অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য রান্না ও উৎপাদনের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ।
নলা ও পায়ার নামে এসব কী খাওয়াচ্ছে দস্তগীর হোটেল! এদিকে নগরীর মোমিন রোডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গরুর নলা ও নেহারির জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠা দস্তগীর হোটেল অবশেষে ধরা খেল জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে। অভিযানে গা শিউরে ওঠা নোংরা–ময়লা পরিবেশ দেখে উপস্থিত জাতীয় ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তারা, সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে–দস্তগীর হোটেলে নলা ও পায়ার নামে এসব কী খাওয়াচ্ছে?
স্যাঁতস্যাঁতে মেঝেতে স্যান্ডেল ও জুতা পায়ে হাঁটছেন দস্তগীর হোটেলের কর্মচারীরা। এমন অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য রান্না ও উৎপাদনের জন্য ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
গতকালের এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ। তিনি জানান, দস্তগীর হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য রান্না ও উৎপাদনের জন্য জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া গ্রান্ড শিকদার রেস্টুরেন্টে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য রান্না ও উৎপাদনের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া হালাল ব্রেড ব্রান্ড নামের লাইভ বেকারিতে উৎপাদিত পণ্যের মেয়াদ যথাযথভাবে মেনটেইন না করা এবং অপরিচ্ছন্নতার জন্য ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।












