কথায় বলে বাতির নিচে অন্ধকার। কাপ্তাই উপজেলায় হয়েছে সেই রকম অবস্থা।
কাপ্তাইয়ে রয়েছে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ সমগ্র দেশে সঞ্চালিত হচ্ছে। কাপ্তাইয়ে উৎপাদিত বিদ্যুতের আলোয় সারা দেশ আলোকিত হলেও অন্ধকারে থেকে যাচ্ছে কাপ্তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এলাকা। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক জীবন যাপন থমকে পড়েছে। যাবতীয় কাজকর্মে স্থবিরতা নেমে এসেছে। ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধন থেকে স্বার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ সঞ্চালন নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়।
লোডশেডিংয়ের ভয়াবহতা তুলে ধরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান বলেন, গত ১২ জুন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আমরা একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করছিলাম। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছিলেন প্রধান অতিথি। উপজেলার ৮টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এতে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বাঞ্চনীয় থাকলেও আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ পাইনি। যে কারণে সুচারুরূপে অনুষ্ঠান পরিচালনা সম্ভব হয়নি। কাপ্তাই ইয়ুথ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মো. সালাহউদ্দীন বলেন, বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। বাধ্য হয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ইয়ুথ ক্লাবের পক্ষ থেকে আমরা মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ইয়ুথ ক্লাবের পক্ষ থেকে বিদ্যুতের দাবিতে উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের অংশ গ্রহণে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি জানান।










