মনে পড়ে আমাদের পরম শ্রদ্ধাভাজন বাবা মরহুম বদরুল হুদা ছিদ্দিকী প্রাকৃতিক মধু, রসুন এবং ভালো মানের খাঁটি ঘি সারা বৎসরের জন্য সংগ্রহ করে রাখতেন। ঘরে কারো সর্দি কাশি ও ঠান্ডা হলে মা মরহুম মরিয়ম বেগম সিদ্দিকা পুরাতন ঘি ও রসুন গরম করে বুক মালিশ করে দিতেন। শ্রদ্ধেয় চাচা মরহুম মৌলানা সাইফুউদ্দিন ছিদ্দিকী এবং হাজেরা বেগম চাচী আম্মাও বলতেন নিয়মিত আনারস খেলে কারো শরীরে পাথর হবে না। আমাদের বিভিন্ন মৌসুমী ফল নানান পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। আমি কাংবুক কোম্পানি বিডি লিমিটেডে চাকরির সময়ে কিছু শ্রমিক কারখানার পাশের জায়গা পরিষ্কার করছিলো। চেয়ারম্যান বং ইয়ং লির সহধর্মিনী এসে কিছু আগাছা গাছ দেখিয়ে বললেন এই ঔষধি গাছগুলো কেটে পাতাসহ রোদে রেখো। গাছগুলো শুকিয়ে গেলে ওগুলো সব কোরিয়ায় নিয়ে গিয়েছিলেন। একবার আমার পায়ে ভীষণ ব্যথা হলো। হাঁটা সম্পূর্ণ বন্ধ। মরহুম জিন্নাত আরা বেগম খালাম্মা কিছু লতাপাতা নিয়ে ছুটে এসেছিলেন আমাদের জয়নগর বাসায়। আমাকে বললেন এগুলো পায়ের পাতায় বেঁধে জুতা পরে হাঁটতে থাকো। তাঁর কথা অনুযায়ী আমি আশ্চর্যজনক ফল পেলাম। সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা ভেষজ উদ্ভিদের ফাইটোকেমিক্যাল ও ঔষধি গুণাগুণ নিয়ে আরো বেশি বেশি গবেষণামূলক কাজ করতে হবে। রোগের চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। এই কাজে গবেষণার বিকল্প নেই। এই গবেষণা আমাদের দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঔষধি ও ভেষজ উদ্ভিদের কার্যকারিতা বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রমাণ করা গেলে তা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ওষুধ তৈরিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে।











