নিজেকে ‘নবাবের নাতি’ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার জাল বিস্তারকারী আলী হাসান আসকারীর সঙ্গে তার পাঁচ সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ, কিন্তু তার মধ্যে তিনজন যে আসকারীরই ভাই তা পুলিশও জানত না। তাদের গ্রেপ্তার করার ২০ দিন পর তা জানতে পেরে পুলিশ কর্মকর্তারাও অবাক হয়েছেন।চক্রের ‘হোতা’ আসকারী নিজেকে নবাব সলিমুল্লাহ খাঁনের নাতি হিসেবে পরিচয় দিতেন। বলতেন, দুবাইয়ে আছে তার সোনার কারখানা, তার বাবা ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, তারা থাকেন নিউ ইয়র্কে। এছাড়া সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের মালিকানা রয়েছে বলেও ফেইসবুকে প্রচার চালাতেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
ফেইসবুকে নিজের সঙ্গে মন্ত্রী-এমপিসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে তা ব্যবহার করতেন প্রতারণার কাজে। আসকারী এসব প্রতারণা করতে এবং নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চলতেন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তারা চার ভাই মিলে গড়ে তুলেছিল প্রতারণা চক্র, আর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, কামরুলের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া বাকি পাঁচজনের মধ্যে তিনজনই যে কামরুলের ভাই, তা বোঝা যায়নি। তাদের কাছে জানতে চাইলেও কেউ মুখ খোলেনি। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে যে গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে রাজা, রানা ও আহম্মদ তার ভাই। আর আসকারী আসল নাম কামরুল হাসান হৃদয় বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।












