চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেছেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীতে কোরবানির পশুর হাট, চামড়া বেচাকেনা ও যাত্রী চলাচল নিরাপদ রাখতে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। গতকাল রোববার বিকালে দামপাড়া পুলিশ লাইনস মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত নিরাপত্তা সমন্বয় সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
সিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিটি পশুর হাটে থানার মোবাইল টিমের পাশাপাশি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, কন্ট্রোল রুম, জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ, ওয়াচ টাওয়ার ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। এছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশি নজরদারি, মানি এস্কর্ট ও স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাও চালু থাকবে।
তিনি বলেন, কোনো অসাধু চক্র যাতে পশুবাহী ট্রাক জোরপূর্বক নির্দিষ্ট হাটে নিতে না পারে বা অনুমোদনহীন স্থানে অবৈধ পশুর হাট বসাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। অবৈধ খুঁটির ব্যবসা বন্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোরবানির দিন চামড়া ক্রয়–বিক্রয় ও পরিবহনকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ এবং চামড়া পাচার ঠেকাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সভায় জানানো হয়, পশুবাহী খালি ট্রাকে যাত্রী পরিবহন বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে সড়ক, রেলপথ ও নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সিএমপি। এদিকে ঈদের ছুটির সময় আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি নগরীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে পৃথক নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ও প্রশাসন–অর্থের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপ–পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী, উপ–পুলিশ কমিশনার (ডিবি–উত্তর) মো. হাবিবুর রহমান, উপ–পুলিশ কমিশনার (ডিবি–দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম এবং উপ–পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক–উত্তর) নেছার উদ্দিন আহমেদ। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি–বেসরকারি সংস্থা, পরিবহন মালিক–শ্রমিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।













