মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। গতকাল বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন বলে গুঞ্জন ছড়ায়। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এই খবরকে অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা করেছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক। এক অডিও বার্তায় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি এই বিষয়টিকে আপনারা অবশ্যই গুজব হিসেবে ধরবেন। এর কোনো সত্যতা এখনো নেই। এ রকম কোনো সিদ্ধান্ত আসলে সেটি কোনো উড়ো খবরের মাধ্যমে আসবে না। অবশ্যই অফিসিয়ালি প্রেস কনফারেন্স করে জানানো হবে। যে বা যারা এই তথ্য দিয়েছে তারা উড়ো খবরকে খবর হিসেবে প্রচার করছে। উড়ো খবর নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ।’ খবর বাংলানিউজের।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আলাদা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ কিংবা তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত খবরকে অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নও ওঠে না। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি মহল এ ধরনের মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
প্রতিবাদলিপিতে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও দেশবাসীকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে, যেসব গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায়, অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাক হোসেনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে। তার সঙ্গে ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়।












