ইনশাআল্লাহ, চট্টগ্রামে আরেকটি ইতিহাস রচিত হবে

প্রধানমন্ত্রীর আগমন নিয়ে মীর হেলাল

আজাদী প্রতিবেদন | রবিবার , ৯ আগস্ট, ২০২৬ at ৬:৪০ পূর্বাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে চট্টগ্রামে ঈদের মতো উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান, তাও ১৮০ দিনের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রীর এ আগমনে একটা সাজ সাজ রব পড়ে গেছে পুরো চট্টগ্রাম জেলায়।

গতকাল দৈনিক আজাদীকে তিনি এসব কথা বলেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখানে সরকারের মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দলীয় কর্মকাণ্ডের প্রোগ্রাম দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এত ব্যস্ততার মধ্যেও দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সময় দেবেন। এজন্য আমরা উনার প্রতি যেমন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, একই সাথে আমরা উনাকে চট্টগ্রামে সাদরে বরণ করে নেওয়ার জন্য সর্বতোভাবে প্রস্তুত। ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল (আজ) চট্টগ্রামে আরেকটি ইতিহাস রচিত হবে।

নিজ সংসদীয় এলাকা হাটহাজারীতে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল বলেন, প্রোগ্রাম হবে সবচেয়ে বড় মাঠে, যেটা হাটহাজারী পার্বতী স্কুল মাঠ বা কলেজ মাঠ হিসেবে পরিচিত। এখানে যদি লাখখানেক জনগণ চলে আসে, তাহলে হয়তো জনসমাবেশ হয়ে যেতে পারে। আসলে সমাবেশ মানেই হচ্ছে লক্ষ লক্ষ জনগণ থাকবে, এখানে নেতা বক্তব্য দিবেন। যদি লক্ষ লক্ষ জনগণ কালকে (আজ) ওখানে হাজির হয়, নেতা যদি বক্তব্য দেন, তাহলে দেখা যাবে মানবিক সহায়তা কর্মকাণ্ডটা জনসভায় রূপান্তরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আশা করছি লক্ষাধিক লোক হবে। তারেক রহমানের জন্য হাটহাজারীর মানুষ পাগল। এখন সেখানে গেলে দেখবেন লোকজন জমায়েত হয়েছে। মানে একটা উৎসবমুখর পরিবেশ। মহাসমাবেশে যে পরিবেশ হয়, সে রকম অবস্থা। ইউনিয়নে ইউনিয়নে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আনন্দ মিছিল হচ্ছে, শুভেচ্ছা মিছিল হচ্ছে, অভিনন্দন জ্ঞাপন মিছিল হচ্ছে।

মীর হেলাল বলেন, হাটহাজারী সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী এলাকা, আবার জনপ্রিয়তার দিক থেকেও সবচেয়ে হায়েস্ট। হাটহাজারী তো বরাবরই বিএনপির, তারেক রহমান, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং শহীদ জিয়ার ঘাঁটি। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়াউর রহমান তার রাজনৈতিক দর্শনের বেশির ভাগই চট্টগ্রামকে প্রাধান্য দিয়ে বাস্তবায়ন করেছেন। আমাদের মরহুম প্রধানমন্ত্রী, আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সব সময় এখানকার মানুষ ও নেতাদের প্রতি অনুরাগী ছিলেন।

রেডিসন ব্লুতে আজ সন্ধ্যায় অনুষ্ঠেয় প্রধানমন্ত্রীর সাংগঠনিক সভা সম্পর্কে মীর হেলাল বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব তৃণমূলের নেতৃত্বে সব সময় আস্থা রেখেছেন। উনি তৃণমূলের মুকুটহীন সম্রাট। তৃণমূলের রাজনীতি দিয়ে পুরো বাংলাদেশে উনার যে জনপ্রিয়তা, উনার যে রাজনৈতিক দর্শন, এটা ছড়িয়েছেন। এজন্যই উনি সব সময় তৃণমূলকে মূল্যায়ন করে আসছেন। তিনি যখন দেশের বাইরে ছিলেন তখনো তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতেন। এখন যেহেতু উনি স্বশরীরে আছেন এবং চট্টগ্রাম উনাকে সর্বোচ্চ ভালো নির্বাচনের একটা ফিডব্যাক দিয়েছে, তাই চট্টগ্রামের তিন জেলার বিএনপি, ১১টা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীর সাথে সরাসরি কথা বলবেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধঢাকা-চট্টগ্রাম দ্রুতগতির রেলপথ করার পরিকল্পনা রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পরবর্তী নিবন্ধজ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে