মীরসরাইয়ে অবৈধ গরু ব্যবসায়ীদের হামলায় আহত ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার হোসেন হৃদয় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে করেরহাট এলাকায় উত্তেজিত এলাকাবাসী খাগড়াছড়ি রামগড় সড়ক অবরোধ করে। একঘণ্টা পর স্থানীয় এমপি ন্যায্য বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করে এলাকাবাসী।
করেরহাট এলাকার সীমান্তবর্তী অবৈধ গরুর ব্যবসা ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে গত ১৮ এপ্রিল রাতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন ছাত্রদল নেতা হৃদয়। ঘটনার পর থেকে হৃদয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানায় পরিবার।
সেখানে পাঁচদিন ধরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মৃত্যুবরণ করেছেন। করেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় (২৩) কয়লা ৬নং ওয়ার্ডের মো. আব্দুল আলীমের পুত্র।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, ঘটনার দিন কয়লা বাজার সংলগ্ন স্থানে উক্ত সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়েছিলেন। অপর দু’জন হলেন, একই এলাকার এরাদুল্লাহর পুত্র আনোয়ার হোসেন (২২) ও মো. টিপুর ছোট ভাই মো. সুমন (৩২)। হৃদয়ের বাবা আব্দুল আলীম বলেন, ঘটনার পূর্বে কয়েকদিন ধরে অবৈধ গরুর ব্যবসা ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ দ্বন্দ্বে জড়ায়। আমার ছেলে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় অন্যায়ভাবে হামলা করে ওরা।
এই বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী নাজমুল হক জানান, ঘটনার পরই হৃদয়ের বাবার দায়ের করা এজাহার এখন হত্যা মামলা হিসাবে গণ্য হবে এবং ঘটনা তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে আহত ছাত্রদল নেতা হৃদয়ের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দুপুর ২টা থেকে খাগড়াছড়ি সড়কের কয়লা এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। পরবর্তীতে মীরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন সকল আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও ন্যায্য বিচারের প্রতিশ্রুতি জানিয়ে অনুরোধ করলে উত্তেজিত এলাকাবাসী অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়।














