সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) দুটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে; প্রশাসন পড়েছে বিব্রতকর অবস্থায়। এসিল্যান্ড মো. আরিফুর রহমান শান্ত শুক্রবার রাতে উপজেলা এসিল্যান্ডের ফেসবুক আইডি থেকে ইউএনওকে জড়িয়ে এই পোস্ট দেন। পরে এ দুটি পোস্ট মুছে দেওয়া হয়। এ নিয়ে জেলায় নানা আলোচনা–সমালোচনার মধ্যে জামালগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদক সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি এরই মধ্যে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান শান্তকে তার পরিবারের তত্ত্বাবধানে ঢাকায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। খবর বিডিনিউজের।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় দুই মাস আগে জামালগঞ্জে যোগদান করেছেন আরিফুর রহমান শান্ত। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তার বাসায় মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে আসেন এসিল্যান্ড ও তার স্ত্রী। একপর্যায়ে স্ত্রীকে রেখে বাসায় চলে যান এসিল্যান্ড। ১০ মিনিট পরেই পর পর দুটি পোস্ট দেন এসিল্যান্ড। উপজেলা এসিল্যান্ডের ফেসবুক আইডি থেকে প্রথম পোস্টে লেখা হয়, ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রাণী মোদক দায়ী থাকবেন।’ এর পর আরেকটি পোস্টে লেখা হয়, ‘আই রিজাইন ফ্রম অ্যাডমিন ক্যাডার।’ পরে এই দুটি পোস্ট এসিল্যান্ডের স্ত্রী মুছে দেন।
উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, আনসার সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইউএনওর বাসা থেকে নিমন্ত্রণ খেয়ে যাওয়ার সময় পথে পথচারীদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন এসিল্যান্ড। বাসায় গিয়ে আনসার সদস্যের সঙ্গে ঝগড়া করেন এবং একজন আনসার সদস্যের ফোন কেড়ে নিয়ে আছড়ে ভেঙে ফেলেন।
এই খবর পেয়ে আনসার কমান্ডার, পুলিশ ও কর্মকর্তাদের নিয়ে এসিল্যান্ডের বাসায় যান ইউএনও শিল্পী রাণী মোদক। তখন ইউএনওর তিন বছরের মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দেন এসিল্যান্ড এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন।












