মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখতে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিপণন নিষিদ্ধকরণ অভিযান চলছে। গত ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বহাল থাকবে। এদিকে বাঁশখালীতে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক জেলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য আহরণ ও জীবিকার সাথে জড়িত থাকলেও সরকারি নিবন্ধনের আওতায় এসেছেন মাত্র ১৩ হাজার ৭৯৪ জন। ফলে নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে বিশাল সংখ্যক মৎস্যজীবী পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
জানা গেছে, বাঁশখালী পৌরসভাসহ ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ছনুয়া, পুইছড়ি, শেখেরখীল, গন্ডামারা, শীলকূপ, চাম্বল, সরল, বৈলছড়ি, কাথরিয়া, বাহারছড়া, কালীপুর, সাধনপুর, পুকুরিয়া ও খানখানাবাদের অধিকাংশ এলাকায় মৎস্যজীবী রয়েছে।
বাঁশখালীর উপকুলীয় বাংলাবাজারের জলকদর খালে পাশে জাল বুনন করাকালে আবদুল কাদের, জলিল আহমদ, কালাম, শফি আলম, নুর আহমদসহ কয়েকজন জেলে বলেন, সাগরে মাছ বৃদ্ধিসহ সরকারের বিভিন্ন সময়ে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রাখলে সেটা আমরা মেনে চলি। কিন্ত সে সময়ে আমরা কীভাবে চলবো সেটা কখনও ভাবে না।
বর্তমানে ২২দিন আমরা সাগরে যেতে পারছি না। আমাদের মালিকও (বহাদ্দার) টাকা দিচ্চে না। ফলে বাধ্য হয়ে জাল বুননের কাজ করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌসিব উদ্দিন বলেন, বাঁশখালীতে মোট নিবন্ধিত জেলে ১৩,৭৯৪ জন। এর মধ্যে চলতি মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে প্রায় ৬,৫০০ জন জেলেকে ২৫ কেজি করে সরকারি চাল প্রদান করা হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।












