মহেশখালীর সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আটজন মাঝিমাল্লা। তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন মাঝিরা হলেন, মাহমুদুল হক মাঝি (৩৯), লকিয়ত উল্লাহ (৩৩), আব্দুল মান্নান (৩৪), আব্দুল মজিদ (৩৩), সাইফুল ইসলাম (৩০), মো. হাসান (২৬), সামুন (২৫) ও কামাল হোসেন মাঝি (৩৯)।
এছাড়া গত তিনদিনে (রবি, সোম, মঙ্গলবার) ওই সমুদ্রসীমার ‘১২ বাম’ এলাকায় অন্তত ১৫টি ফিশিং ট্রলারে উপর্যুপরি হামলা চালিয়েছে দস্যু দল, এতে কমপক্ষে ২০ জন মাঝিমাল্লা আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানা গেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহমুদুল হক মাঝি ঘটনার বর্ণনার বরাত দিয়ে অন্য জেলেরা জানান, সাগরে মাছ ধরার সময় হঠাৎ ছোট ছোট বোটে করে সশস্ত্র জলদস্যুরা এসে তাদের ফিশিং ট্রলারে হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে উঠে ব্যাপক লুটপাট চালায় এবং মাঝিমাল্লাদের জিম্মি করে নির্মমভাবে মারধর করে।
কালারমারছড়া জেলে কল্যাণ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমির হোসেন জানান, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতরা প্রতিটি ট্রলার থেকে মাছ, জাল, জ্বালানি তেল, খাদ্য রসদ, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশসহ মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এদিকে সাগরে জলদস্যুদের এই অপতৎপরতা ও ডাকাতি প্রতিরোধে জোরদার অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় টহল ও বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম।











