সমসাময়িক ঘটনাবলীর বর্ণনায় স্থানীয় বা জাতীয় ইতিহাসের প্রকৃত তথ্য অনেক সময় ফুটে উঠে না। কারণ এসব বর্ণনায় ঘটনার সার্বজনীন অভিজ্ঞতার বদলে প্রায়ই ক্ষমতাবান শাসকদের চিন্তা–চেতনার প্রতিফলন ঘটে। প্রকৃত ইতিহাস রচনা করতে হয় সকল দলমতের শক্তির প্রভাবমুক্ত হয়ে নির্লোভ ও নির্মোহ দৃষ্টিকোণ থেকে। এক্ষেত্রে ইতিহাসের খসড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এরকম ইতিহাস বিনির্মাণে লেখক– গবেষক মুহাম্মদ শামসুল হক এক যুগ ধরে মাঠ পর্যায়ে ঘুরে যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তা প্রশংসনীয়। ইতিহাস–ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণামূলক পত্রিকা দ্বিমাসিক ইতিহাসের খসড়ার এক যুগপূর্তি উপলক্ষে ‘ইতিহাস সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রকাশনার গুরুত্ব: ইতিহাসের খসড়ার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা, পুরস্কার বিতরণ ও ওয়েবসাইট এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। গত ৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম থিয়েটার ইন্সটিটিউট হলে ইতিহাসের খসড়া সম্পাদক মুহাম্মদ শামসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল করিম। আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড.মোহীত উল আলম, নাট্য ব্যক্তিত্ব অভীক ওসমান, অধ্যাপক মুজিব রহমান ও অধ্যাপক মো. আলম চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং কবি ও প্রাবন্ধিক রাশিদুল হক মিজান। শুরুতে ইতিহাসের খসড়ার পরিচিত তুলে ধরেন কবি আলী প্রয়াস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এমইএস ওমর গণি কলেজের শিক্ষিকা অনিন্দিতা দেবনাথ। উল্লেখ্য, ইতিহাসের খসড়ায় অনুসন্ধানী লেখক–গবেষক হিসেবে এবার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ঠাকুরগাঁও রত্নাই বোগুলাবাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক পিএইচডি গবেষক ফারজানা স্বর্ণা। তাঁর পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন জোহায়ের কাদের ফাহমিদ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











