বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি সই হওয়ার কথা বলেছে বিএনপি মিডিয়া সেল। গতকাল শনিবার সকালে বিএনপি মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে এ দাবি করেছে। ছবির ক্যাপশন অনুযায়ী, চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ সই করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সই করেন অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর গত ১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার এমওইউ নবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এ প্রস্তাবকে তখন ইতিবাচকভাবে নেওয়ার কথা বলেছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। খবর বিডিনিউজের।
যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রস্তাবের বিষয়ে সরকারের ভাবনা জানতে চাইলে ৩ আগস্ট তিনি বলেন, পজিটিভ। সরকারের ভাবনা পজিটিভ। আমাদের আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, সম্পর্ক, যদি বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে হয়, তাহলে আমরা সামনে আগাব। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র প্রথম বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি করে ১৯৮১ সালে। চুক্তিটি ১৯৯১ সালের পরে আর নবায়ন হয়নি।
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের নতুন করে এমন সময় চুক্তি হওয়ার খবর এলো, যখন রাশিয়ার সহযোগিতায় রূপপুরে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পারমাণবিক জ্বালানি আইনের অধীনে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতার চুক্তি করে থাকে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। ওই আইনের ১২৩ ধারায় অধীনে হওয়ার কারণে এটা ‘১২৩ অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে পরিচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২৬টি দেশ ও সংস্থার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এমন চুক্তি রয়েছে, যার অধীনে অন্তত ৫০ দেশের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি করেছে দেশটি।












