ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গতকাল বিসিবি সভায় সেটি অনুমোদন করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে তিন সংস্করণে ছয় দল নিয়ে নতুন একটি ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন এই কাঠামোর প্রথম আয়োজন হিসেবে আগামী ডিসেম্বরে টি–টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। খবর নবাংলানিউজের।
গতকাল রোববার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি পুনর্নির্ধারণের অনুমোদন দেওয়া হয়। ওয়ার্কিং কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, পুরুষদের চার দিনের ক্রিকেটে প্রতি ম্যাচের ফি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ওয়ানডেতে ১ লাখ টাকা এবং টি–টোয়েন্টিতে ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় একাদশের ক্রিকেটাররা প্রতি ম্যাচে পাবেন ১৫ হাজার টাকা। নারীদের ঘরোয়া ক্রিকেটেও ম্যাচ ফি বাড়ানো হয়েছে। তিন দিনের ক্রিকেটে প্রতি ম্যাচে ৪০ হাজার টাকা, ওয়ানডেতে ৩০ হাজার টাকা এবং টি–টোয়েন্টিতে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দলের ক্রিকেটারদের দৈনিক ভাতা দ্বিগুণ করা হয়েছে। ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে তা ২০ হাজার টাকা করার অনুমোদন দিয়েছে বোর্ড। ম্যাচ ফি বাড়ানোর পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বিসিবি। ফার্স্ট ক্লাস (চার দিনের), লিস্ট ‘এ’ ওয়ানডে ও লিস্ট ‘এ’ টি–টোয়েন্টি–তিন সংস্করণকে একই প্রতিযোগিতা কাঠামোর অধীনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে থাকবে ছয়টি দল। প্রস্তাবিত কাঠামোতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ও করপোরেট এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য দলগুলোর মালিকানাস্বত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন কাঠামোর প্রথম ধাপে টি–টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা আয়োজনের সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর।













