কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা থেকে ১৪ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বিজিবি। নৌকায় রশি বেঁধে পানির নিচে রেখে অভিনব কায়দায় পাচারকালে এসব জব্দ করা হয়। এ সময় পাচারে জড়িত দুজনকে আটক করা হয়।
গতকাল উখিয়া ৬৪ বিজিবির হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ স্লুইস গেট সংলগ্ন এলাকার ঘাটে জেলের ছদ্মবেশে এসব ইয়াবা দেশে ঢোকানোর প্রচেষ্টা চলছিল। তবে বিজিবির বিচক্ষণতায় চালানটি ধরা পড়ে। উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় একটি বড় ইয়াবার চালান বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন ও প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়। ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর হ্নীলার অবরাং এলাকা দিয়ে ইয়াবার দুটি ছোট চালানের চেষ্টাকালে দুজন পাচারকারীসহ তিন লাখ ইয়াবা জব্দ করে বিজিবি।
গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলের ছদ্মবেশে নৌকাযোগে হ্নীলা বিওপির স্লুইস গেট এলাকা দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা চালান পাচারকারীরা। এ সময় তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় ওৎ পেতে থাকা বিজিবির বিশেষ টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করেন। পরবর্তী সময়ে তাদের নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ভেতরে কিছু পাওয়া যায়নি। তবে অভিনব কায়দায় দড়ি দিয়ে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় পানিতে হালকা ভাসমান কিছু বস্তা দেখা যায়। বস্তাগুলো খুলে প্যাকেটে মোড়ানো ১৪০ কার্ট ইয়াবা জব্দ করে বিজিবি। পরে সেখানে ১৪ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। জব্দ করা এসব ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৪২ কোটি টাকা। উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সদর দপ্তরের নির্দেশনায় মাদক চোরাচালানসহ জ্বালানি, ভোজ্যতেল এবং সার পাচার রোধে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।










