বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেছেন, বর্তমান সরকার এ বছরকে নজরুল বর্ষ ঘোষণা করেছে। শুধু ঘোষণায় নয়, নজরুল চর্চার জন্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে একযোগে দুই মাসব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ও তাঁর জীবনকে আমাদের চিন্তা–চেতনার মধ্যে আনয়ন করা এর উদ্দেশ্য। কবি নজরুল ছিলেন তারুণ্যের প্রতীক। তারুণ্যের প্রতীক দিয়ে আমাদের জাতীয় জীবনের প্রত্যেকটি আলোড়ন নজরুলের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করেছে। চির তরুণ এই কবি শুধু তিনি শুধু লিখেছেন তাই নয়, তিনিই বিশ্বের মধ্যে বিরল কবি, যিনি একইসঙ্গে লিখেছেন এবং সে লেখাকে বিশ্বাস করে, ধারণ করে সংগ্রাম করেছেন। নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন গতকাল সোমবার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক দুই মাসব্যাপী জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দ মুহম্মদ আয়াজ মাবুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিআইজি মো. আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মিজানুর রহমান ও জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। শেষে একক ও দলীয় নজরুল সংগীত, দলীয় নৃত্য পরিবেশনা এবং কবিতা আবৃত্তি করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা কবি নজরুলের সৃষ্টিকে লালন করতে চাই, সেই আঙ্গিকে আমরা নতুন বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই।
ডিআইজি মো. আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, আমাদের ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে কবি নজরুল ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












