চারদিনে ১১ সেশনে ব্যাটার–বোলারদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আধিপত্য বিস্তার করে অসিদের মাটিতে প্রথমবারের মত টেস্ট ম্যাচ জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট ইতিহাসে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্ট শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেকোনো সংস্করণে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আমরা ভবিষ্যতে আরও বিশেষ কিছু করতে চাই। এই জয়ে আমরা দারুণ খুশি।’
টেস্টে বাংলাদেশের দলের পারফরমেন্স নিয়ে শান্ত বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের বড় পরিবর্তন হয়েছে। পাঁচ বছর আগেও পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইত না। কিন্তু আমরা এখন অনেক টেস্ট খেলছি এবং তারাও টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দলের সবাই খেলতে চায় এবং পারফর্ম করতে চায়। সবাই বিশ্বমানের হতে চায়। সবার মানসিকতাই এখন এমন। মুশফিকুর ও মোমিনুলের মতো সিনিয়ররাও সবাইকে আরও বেশি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত করেছেন।’ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পান তানজিদ। ৮ চার ও ১ ছক্কায় সাজানো তানজিদের ১০১ রানের সুবাদেই প্রথম ইনিংসে বড় লিড পায় বাংলাদেশ। তানজিদের ইনিংস নিয়ে শান্ত বলেন, ‘সাধারণত সাদা বলের ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে থাকে তানজিদ। এই টেস্টে সে সাবধানে খেলেছে এবং বল অনুযায়ী শট খেলেছে। টপ অর্ডারের ব্যাটার হিসেবে আমরা চাই, তানজিদ যেন দলে প্রভাব ফেলতে পারে।’ সতীর্থদের সাথে ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে হাফ–সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেছেন অধিনায়ক শান্ত নিজেই।
৭ চার ও ১ ছক্কায় ১২৬ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। নিজের পারফরমেন্সে গর্বিত শান্ত, ‘নিজের পারফরমেন্স নিয়ে আমি গর্বিত। ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতেও গর্বিত। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি।’ প্রথম টেস্টের পারফরমেন্স অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ম্যাচে ভালো করার কথা জানিয়েছেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। পাঁচ দিনই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আমরা যদি সেশন ধরে ধরে খেলতে পারি ও নিচের সারির ব্যাটাররা নিয়মিত অবদান রাখতে পারে, তাহলে সব কিছুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’












