উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্–ফোরকান বলেছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সবুজে ঘেরা প্রায় ২,৩৫০ একর আয়তনের প্রায় ৮৫ শতাংশ পাহাড়ি এলাকা। ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সারা বিশ্বে দৃশ্যমান। সেই প্রেক্ষাপটে পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।
চবি প্রশাসন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) উদ্যোগে এবং চবি ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় গতকাল বুধবার চবি জীববিজ্ঞান অনুষদ সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে তিনি একথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চবির উপ–উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম। উপাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি বছর নিয়মিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এ বছরও আমরা সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি। ইতোমধ্যে ১১ একর এলাকায় বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পুরাতন গোডাউন এলাকায় আরো ১৪ একর পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু হবে। সব মিলিয়ে এ বছর ২৫ একর জমিতে প্রায় ২৫ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি বিভাগ কাজটি তত্ত্বাবধান করছেন।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন আবাসিক হল নির্মাণ হয়নি। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ছাত্রছাত্রীদের জন্য একাধিক নতুন আবাসিক হলসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে উন্নয়নের কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি পরিবেশের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সে বিষয়েও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাছান মিয়া, প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, ছাত্রছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মো আনোয়ার হোসেন, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম হোসেন রনি, জিএস সাঈদ বিন হাবিব, সমাজসেবা ও পরিবেশ সম্পাদক তাহসিনা রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল আহাদ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।









