বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রথম রিভিউয়ের ফল বাতিল করাটা অবৈধ : হাই কোর্ট

| বৃহস্পতিবার , ১১ জুন, ২০২৬ at ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষার প্রথম রিভিউয়ের ফল বাতিলকে অবৈধ ঘোষণা করেছে হাই কোর্ট। একই সঙ্গে প্রথম রিভিউয়ে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে বার কাউন্সিলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ বিষয়ে করা রিট আবেদনে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেয়। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী বদরুদ্দোজা বাদল, ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী ও এম আশরাফুল ইসলাম। খবর বিডিনিউজের।

রায়ের পর বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি তিন নম্বর গ্রেস দিয়ে রিট আবেদনকারীসহ আরও অনেককে পাস করিয়েছিল। কিন্তু পাসের পর দ্বিতীয় রিভিউয়ের নামে কারও দরখাস্ত ছাড়াই স্বউদ্যোগে ওই ফল বাতিল করে তাদের ফেল করানো হয়। এটি কোনো আইনে বা বিধিতে নেই। হাই কোর্ট বার কাউন্সিলের ওই সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন। আমি আশা করব, বার কাউন্সিল বিষয়টিকে আর দীর্ঘায়িত না করে বা আপিল বিভাগে না গিয়ে, ভাইভার তারিখ দিয়ে তাদের আইনি পেশায় আসার সুযোগ দেবে।

আরেক আইনজীবী ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী বলেন, আদালত অভিমত দিয়েছেন যে, যখন কোনো কর্তৃপক্ষকে অবাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়, তখন যুক্তিসঙ্গতভাবে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাইরের কোনো চাপে বাতিল করা যায় না। পিটিশনার ৬৪০ জনসহ মোট ১ হাজার ৯১৪ জন রিভিউতে পাস করেছিলেন। তারা কেউ খাতা পুনঃপরীক্ষণ চাননি। যারা চাননি, তাদের খাতা নতুন করে পাঠিয়ে ফেল করানোটা অযৌক্তিক হয়েছে।

রায়ের নির্দেশনার বিষয়ে তিনি বলেন, আদালত প্রথম ফলকে আইনি ও পরেরটিকে বেআইনি ঘোষণা করেছেন। যারা প্রথম রিভিউতে ১ হাজার ৯১৪ জনকে একটি যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত বছরের ২৮ জুন বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট লিখিত পরীক্ষা হয়। ফল প্রকাশ হয় ২৫ অক্টোবর, যেখানে ৭ হাজার ৯১৭ জন উত্তীর্ণ হন। অকৃতকার্য হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৭ হাজার ৫৫৮ জন (প্রায় ৮২ শতাংশ) খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসব মেডিকেল কলেজে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার চালুর উদ্যোগ
পরবর্তী নিবন্ধজ্যৈষ্ঠ মাসে বর্ষাকালের আগমনী বার্তা