লোহাগাড়ায় বাসের সাথে টেক্সির সংঘর্ষ ও চকরিয়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
লোহাগাড়া : লোহাগাড়া প্রতিনিধি জানান, বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজিচালিত টেক্সির এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। গত রোববার রাত পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মুস্তাকিম কামাল তামিম (২২) আধুনগর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার হালকাকারা সওদাগর পাড়ার রাশেদ কামালের পুত্র। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে চট্টগ্রামমুখী হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের সাথে বিপরীতমুখী টেক্সির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তামিম টেক্সি থেকে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা সদরের এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তামিম আধুনগর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার আবাসিক হলে থাকতেন। উপজেলা সদর বটতলী স্টেশন থেকে টেক্সিযোগে মাদরাসায় যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা দীর্ঘক্ষণ বাসটি আটকে রাখেন। দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি সালাহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চকরিয়া : চকরিয়া প্রতিনিধি জানান, চকরিয়া–মাতামুহুরী–মহেশখালী সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মোটরসাইকেল আরোহী শওকত হোসেন (২৫) নামে এক যুবক। গত রোববার দিবাগত রাতে মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শওকত হোসেন চকরিয়া পৌরসভার পালাকাটা গ্রামের সাবেক পৌর কাউন্সিলর নুরুল আমিনের পুত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চকরিয়া–মাতামুহুরী–মহেশখালী সড়কে বর্তমানে উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবস্থাপনার কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খোঁড়াখুঁড়ি করে মাটি ও নির্মাণ সামগ্রী এলোমেলোভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। এ কারণে রাতের আঁধারে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হলে শওকতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চকরিয়া থানার ওসি মো. মনির হোসেন জানান, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।











