বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুকে অস্বীকারের মামলায় এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিকের আদালত এ আদেশ দিয়েছেন। এর আগে সোহেল চন্দ্র দাশ নামের ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়ে আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করেন। সোহেল চন্দ্র দাশ ফেনী জেলার সোনাগাজী সদর হাসপাতালে স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন আদালতে থাকা নারী শিশু সংক্রান্ত সাধারণ নিবন্ধন শাখার এসআই মো. শহিদ আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এক নারীর দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়ে আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করে সোহেল চন্দ্র দাশকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, চলতি বছরের ২৯ মার্চ সোহেল চন্দ্র দাশের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি মামলার আবেদন করা হলে বিচারক নগরীর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করার জন্য নির্দেশ দেন। মামলার আরজিতে ভিকটিম নারী উল্লেখ করেন, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে সোহেল চন্দ্র দাশের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। কিন্তু এর মধ্যে তার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। অন্যের সাথে সংসার করার সময় আসামি তাকে ভুল বুঝিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখান এবং স্থানীয় মন্দিরে পুরোহিত কর্তৃক বিয়ে করেন। পরবর্তীতে ঘরে তুলে নেওয়ার কথা থাকলেও আসামি সেটি করেননি। বরং হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুকে অস্বীকার করা হয়। আরজিতে নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন কালুরঘাট মধ্যম মোহরা ও নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন কোর্ট বিল্ডিং এলাকার মুসলিম হাইস্কুল এলাকাকে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করা হয়।












