চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে ২০১৫ সাল হতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মানে মিলনমেলা ও বিদায় সংবর্ধনা গতকাল সোমবার স্কুল এন্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপ–উপাচার্য (একাডেমিক) ও ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ–উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড.মো. কামাল উদ্দিন, গভর্নিং বডির সদস্য প্রফেসর ড. রেজাউল আজিম, প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, এ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। আপনারাই সেই ইতিহাসের সাক্ষী। এ স্কুল এন্ড কলেজের জন্য ৬ তলাবিশিষ্ট দুইটি ভবন করার পরিকল্পনা রয়েছে। চতুর্দিকে প্রাচীরের কাজ প্রায় শেষের দিকে। তিনি সরকারের নিকট শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বিদায়ীদের শিক্ষকদের দোয়া ও সুস্থতা কামনা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ–উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষকতা শুধুমাত্র চাকরি না, এটা মানুষ তৈরির ব্রত। শিক্ষকরা একজন মানুষের ভিত্তি গড়ে দেয়। একজন শিক্ষক নিজেকে বিলীন করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলে। তিনি শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সরকার। বিদায়ী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মো. সোলায়মান, মো. আতিকুল্লাহ, রফিকুল ইসলাম মজুমদার, বিজয় রঞ্জন চক্রবর্তী, দৌলত উল্লাহ তালুকদার, নারগিস আক্তার প্রমুখ।
বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক কাজী ফারজানা মমতাজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক সামিনা চৌধুরী।
বক্তারা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের নিষ্ঠাপূর্ণ সেবার প্রশংসা করেন এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। বিদায়ী শিক্ষকরাও তাঁদের দীর্ঘ কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষকদের সম্মাননা ক্রেস্টসহ উপহার প্রদান করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













