চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য উল্লেখ করে সিএনএনে খবর প্রকাশের পর বেইজিংকে সতর্ক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার হোয়াইট হাউজ থেকে মায়ামি যাওয়ার পথে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ইরানকে কোনোভাবেই চীন যেন সহযোগিতা না করে। ইরানকে অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করলে চীনকে মারাত্মক পরিণতি ভোগ করবে হবে। খবর বিডিনিউজের।
সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়ন সম্পর্কে অবগত তিনজনের বরাত দিয়ে শুক্রবার মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন খবর দেয়, অস্ত্রের উৎস আড়াল করতে চীন তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে অস্ত্র চালান পাঠাতে কাজ করছে। চীন ম্যানপ্যাড নামে পরিচিত কাঁধ থেকে ছুড়তে সক্ষম বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাপনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয় খবরে।
শনিবার পাকিস্তানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তি বৈঠকে বসার আগে এমন খবরের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প চীনকে হুঁশিয়ার করে দেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যদি চীন এমনটি করে, তাহলে তারা অনেক বড় সমস্যায় পড়বে। ট্রাম্প এর আগেও হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ইরানকে যেসব দেশ অস্ত্র সরবরাহ করবে তাদেরকে পরিণতি ভোগ করতে হবে। এবার তিনি চীনকেও একই হুমকি দিলেন।
এ সপ্তাহের শুরুর দিকে ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে এমন কোনো দেশ খুঁজে পাওয়া গেলে তার উপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক শাস্তি নেবে আসবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এবং সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর আমদানি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে এবং এতে কোনো ছাড়ও দেওয়া হবে না। নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে তিনি লেখেন, দেশগুলোকে খুবই চড়া মূল্য দিতে হবে।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান বহুদিন থেকেই তাদের অস্ত্র কর্মসূচির জন্য বিদেশি সহায়তার উপর নির্ভরশীল। পশ্চিমা কর্মকর্তারা প্রায়ই ইরানকে অস্ত্র ও প্রযুক্তি সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ করে থাকেন চীন ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে। তবে দুই দেশই এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।














