মীরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড) এবং টেকনাফের সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে জেটি নির্মাণসহ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো গড়ে তুলতে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। গতকাল বৃহস্পতিবার বেজা কার্যালয়ে দুই সংস্থার মধ্যে এ চুক্তি সই হয়। চুক্তির আওতায় মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল ও সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে জেটিসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণ, পরিচালনা এবং রাজস্ব বণ্টনের বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এনএসইজেড এলাকায় ৬ দশমিক ১৮ একর এবং সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে ৫ একর জমি জেটি নির্মাণের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। খবর বাসসের।
চুক্তি অনুযায়ী, জেটি থেকে প্রাপ্ত নিট মুনাফা বেজা ও বিআইডব্লিউটিএর মধ্যে যথাক্রমে ৪৫:৫৫ অনুপাতে ভাগ হবে। সাবরাংয়ে নির্মিত জেটিটি কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিনে পর্যটক পরিবহনে ব্যবহৃত হবে বলে জানানো হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বিআইডব্লিউটিএ। এর আওতায় মীরসরাই ও সন্দ্বীপ, কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ এবং টেকনাফের সাবরাং ও জালিয়ার দ্বীপ এলাকায় জেটি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে বেজার নির্বাহী সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মেজর জেনারেল (অব.) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এই চুক্তি একটি মাইলফলক। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জন্য আধুনিক জেটি সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং এনএসইজেডকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। বেজার নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ বলেন, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সাবরাংয়ে পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনা বিবেচনায় জেটি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে সেখানে আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থাপনায় পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
চুক্তিতে বেজার পক্ষে সই করেন সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের সচিব ও সরকারের যুগ্ম সচিব ড. জুলিয়া মঈন। আর বিআইডব্লিউটিএর পক্ষে সই করেন পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে দুই সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।













