সিসিএস ট্যালেন্ট কাপ টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে কে এম স্পোর্টিং ক্লাব জয়ের ধারায় ফিরেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ‘ডি’ গ্রুপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে তারা ৩ উইকেটে কোয়ালিটি ব্লুজকে পরাজিত করে। চার খেলায় এটি তাদের তৃতীয় জয়। সমান খেলায় কোয়ালিটি ব্লুজ ২টিতে জয়লাভ করে। চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে গতকাল টসে জিতে কে এম স্পোর্টিং প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় কোয়ালিটি ব্লুজকে। কোয়ালিটি ১৭.৩ ওভার খেলে সব উইকেটে হারিয়ে ৮১ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে আশরাফুল হাসান ২১ এবং আজমাইন ইকতেদার ১৫ রান করেন। আর কেউ দু’অংকের ঘরে যেতে পারেননি। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৩ রান। কে এম স্পোর্টিং ক্লাবের পেসার আবদুন নূর ১৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৯টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন আলভী এবং আশফাক। ১টি করে উইকেট পান আরিফ এবং জয়।
জবাবে কে এম স্পোর্টিং ক্লাব ১৭.১ ওভার ব্যাটিং করে ৭ উইকেট হারিয়ে ৮৪ রান তুলে নেয়। দলের হয়ে ইশতিয়াক মাহমুদ ২৩,জয় ২২, জাহিন আহমেদ ১৪,দুর্জয় দে ১১ এবং ফখরুজ্জামান আলভী অপ. ১০ রান করেন। কোয়ালিটি ব্লুজের ওসমান গনি ৩টি এবং এরশাদ হোসেন তামিম ২টি উইকেট লাভ করেন। ১টি উইকেট পান আজমাইন ইকতেদার। প্লেয়ার অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের আবদুন নূর। তিনি দ্বিতীয়বারের মতো ম্যাচ সেরা নির্বাচত হলেন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন সিজেকেএস কাউন্সিলর রায়হানউদ্দিন রুবেল এবং সাবেক ক্রিকেটার ইবনুল হায়দার রিপন।
একই গ্রুপে দিনের দ্বিতীয় খেলায় আবাহনী জুনিয়র ৪ রানে রেলওয়ে রেঞ্জার্সকে পরাজিত করে। চার খেলায় এটি আবাহনী জুনিয়রের দ্বিতীয় জয়। রেলওয়ে তিন খেলার ১টিতে জয় পায়। গতকাল টসে জিতে আবাহনী প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান তোলে। দলীয় ওপেনার রাশেদুল বারী ৪৮ বলে ৫২ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন। তিনি ৩টি চার এবং ৬টি ছক্কা হাঁকান। অন্যদের মধ্যে ইমরান হোসেন ১৫ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া রায়হান ১৪ রান করেন। রেলওয়ে রেঞ্জার্সের পক্ষে রিয়েল করিম ২৩ রান দিয়ে ৪টি উইকেট পান। ইমতিয়াজ আলম ফাহাদ ২৩ রানে নেন ৩টি উইকেট। সিয়াম জাহাঙ্গীর ৯ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন।
জবাবে রেলওয়ে রেঞ্জার্স জয়ের কাছাকাছি গিয়েও ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১০৭ রানে থেমে যায়। দলের পক্ষে রিয়েল করিম ২৮ বলে সর্বোচ্চ ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ওপেনার মো. আদিল ২২ এবং সুফিয়ান আলম ১২ রান করেন। দু’অংকের ঘরে যাননি আর কেউই। আবাহনী জুনিয়রের পক্ষে রায়হান ১৯ রানে ৩ উইকেট এবং রাশেদুল বারী ১৪ রানে ২টি উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট পান সাকিব, মিজানুর রহমান এবং আবিদ হাসান। প্লেয়ার অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন আবাহনী জুনিয়রের রাশেদুল বারী।তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন সিজেকেএস কাউন্সিলর সালাউদ্দিন জাহেদ এবং সাবেক ক্রিকেটার মাসুদ পারভেজ।
আজ থেকে টুর্নামেন্টের পঞ্চম রাউন্ডের খেলা শুরু হবে। প্রথম খেলায় অংশ নেবে শহীদ শাহজাহান সংঘ জুনিয়র এবং টিম আইএসসিএল (সকাল–৯টা)। দ্বিতীয় খেলায় মুখোমুখি হবে ক্রিসেন্ট ক্লাব এবং বাকলিয়া একাদশ (দুপুর– ১টা)। দুটি খেলাই চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।











