কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের সহ–প্রতিষ্ঠাতা ত্রিতা পারসি মনে করেন, ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কৌশল ছিল যত বেশি সম্ভব উর্ধ্বতন নেতাদের হত্যা করা, যতক্ষণ না পর্যন্ত কেউ আত্মসমর্পণ করে। তবে তিনি বলেন, এটি ছিল একটি ভুল হিসাব। খবর বাংলানিউজের।
আল জাজিরাকে পারসি বলেন, ট্রাম্প ভেবেছিলেন পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী নিয়ে এলে এটি ইরানিদের এতটাই আতঙ্কিত করবে যে তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে। কিন্তু তিনি এটি বুঝতে পারেননি যে, ইরান যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকে অনেক বেশি ভয় পায়। এর কারণ, ইরানি সরকার বিশ্বাস করে তারা যুদ্ধে টিকে থাকতে পারবে কিন্তু আত্মসমর্পণের পর টিকে থাকতে পারবে না।
আত্মসমর্পণ করবে এমন কাউকে খুঁজে পেতে হলে কেবল একের পর এক নেতৃত্ব স্তরের বিনাশ নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দেশটিকে ধ্বংস করতে হবে, বলেন তিনি। পারসি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন জানে না এটি অর্জনযোগ্য হলেও এতে কত সময় লাগবে। এক্ষেত্রে ইরানিদের কৌশল হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন সেনা, বিশ্ব অর্থনীতি, প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক বাজারের যতটা সম্ভব ক্ষয়ক্ষতি সাধন করা। যাতে ইরানকে নিঃশেষের চেষ্টা করাটাও ট্রাম্পের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়ায়।







