দেশজুড়ে অভিযান ও জরিমানার প্রেক্ষাপটে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। বৃহস্পতিবার (আজ) থেকে তারা এ কর্মসূচি পালনের অংশ হিসেবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ রাখবে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সারাদেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের এ নোটিস দিয়েছে সংগঠনটি। খবর বিডিনিউজের।
এর আগে বুধবার সকালে রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে কমিশন বাড়ানো, জরিমানা বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় সংগঠনটি। দাবি না মানলে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সরবরাহ ও বিপণন বন্ধের হুঁশিয়ারিও দেন নেতারা। এরপর সন্ধ্যায় ঘোষণা আসে বন্ধ রাখার কর্মসূচির। সংবাদ সম্মেলনে দেশে বর্তমানে এলপিজি চরম সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি।
সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২৭টি কোম্পানির প্রায় সাড়ে ৫ কোটি এলপিজি সিলিন্ডার বাজারে রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডারে নিয়মিত গ্যাস রিফিল হচ্ছে। বাকি প্রায় ৪ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার খালি পড়ে রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি সেলিম খানের দাবি, অধিকাংশ সিলিন্ডার খালি থাকায় পরিবেশকদের পরিচালন ব্যয় বেড়েছে, যা এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তার দাবি, অধিকাংশ কোম্পানি কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ রাখায় অনেক পরিবেশক দেউলিয়া হওয়ার মুখে। তিনি বলেন, বর্তমানে পরিবেশকদের কমিশন ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।











