চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় কাভার্ড ভ্যান ও প্রাইভেট নোয়া (ভক্সি) গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার উত্তর সীমান্তবর্তী হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাংয়ের কলাতলী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় গাড়ি দুটি মহাসড়ক থেকে ছিটকে দুই পাশের খাদে গিয়ে পড়ে। এতে নোয়া গাড়ির ভেতরে থাকা পাঁচজন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মনসুর আলম (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ী। অন্যরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় নোয়া গাড়ির চালক মো. আরিফুল ইসলাম (৪০) এর পরিচয় নিশ্চিত হলেও অন্যদের নাম–পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। আরিফ চট্টগ্রাম মহানগরের চেরাগী পাহাড় এলাকার বাসিন্দা।
জানা যায়, নিহত মনসুর আলম বাঁশখালীর বৈলছড়ি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত রফিক আহমদের পুত্র। তার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। মনসুর বাঁশখালী উপজেলা তাঁতী লীগের সাবেক সভাপতি এবং যুবলীগের সদস্য ছিলেন। নোয়া গাড়ির চালক আহত আরিফুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম থেকে মহাসড়ক হয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন তারা। তাদের বহনকারী নোয়া গাড়িটি মহাসড়ক আজিজ নগরের কাছে জেলা পরিষদ গেট পার হওয়ার মুহূর্তেই বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির কাভার্ড ভ্যানটি রং সাইড দিয়ে এসে সামনের অংশে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে উভয় গাড়ি সড়কের দুই পাশে গিয়ে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ব্যবসায়ী মনসুর আলমসহ নোয়ার ভেতরে থাকা পাঁচজন আহত হয়।
মহাসড়কের বানিয়ারছড়াস্থ চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) ইন্সপেক্টর মো. আরিফুল আমিন জানান, এই দুর্ঘটনায় মনসুর আলম নামের এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও চারজন। তারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ওসি চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা আরও জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলেই গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করা হয়। ক্রেন দিয়ে উদ্ধারের পর জব্দ করা হয় দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ি দুটি। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।