কবি সুফিয়া কামালের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘অনুভবে অনুভূতিতে অম্লান তুমি’ শীর্ষক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ কুমার দাশ বলেছেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন কবিতা চর্চা ও লেখালেখির মধ্যে দিয়ে একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ কামনা করেছিলেন কবি সুফিয়া কামাল। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি অসাম্প্রদায়িক দেশ পেয়েছে কিন্তু ধর্ম ব্যবসায়ীরা এই স্বাধীন দেশটাকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী দেশরূপে বাস্তবায়ন করার জন্য স্বপ্নে বিভোর আছেন। বঙ্গবন্ধুর সৈনিকরা জীবনের মূল্যে সকল চক্রান্ত প্রতিহত করবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে নাট্যজন ও সাংবাদিক প্রদীপ দেওয়ানজী বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদুত বেগম রোকেয়ার পর এদেশের নারী সমাজকে অন্ধকার পথ থেকে সরিয়ে শিক্ষায় সুশিক্ষিত করে আলোকিত করার আজীবন সংগ্রামী ছিলেন সুফিয়া কামাল।
তিনি আরো বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে কবি সুফিয়া কামালের অবদান অনীস্বীকার্য, তাঁর সফল নেতৃত্বে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে এদেশের নারী সমাজ নেমে এসেছিলেন। কবি ও সাংবাদিক নাজিমুদ্দীন শ্যামল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সংগঠক কবি সুফিয়া কামালের সৃষ্টিশীল সাহিত্য কর্ম, কবিতা ও তাঁর অসাম্প্রদায়িক চেতনার রাজনীতি বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কাজ করার আগ্রহী করে তুলেছিলেন।
বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন সুমন দেবনাথ।
সৈয়দ দিদার আশরাফীর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন যুগ্ম পরিচালক ফজল আহমদ, পংকজ বৈদ্য সুজন, স্বপন সেন, অধ্যক্ষ ড. শেখ এ. রাজ্জাক রাজু, হেফাজত ইসলাম চৌধুরী, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, শাম্মী তুলতুল, কবি নুরুন নাহার নিপা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রণবরাজ বড়ুয়া। বক্তব্য রাখেন রমিজ উদ্দীন আহমেদ, এম এ সালাম, দুলাল কান্তি চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান, চৌধুরী জসিমুল হক, পারভীন আক্তার চৌধুরী, হারুন রশিদ, অচিন্ত্য দাশ, নারায়ন দাশ, দিলীপ সেনগুপ্ত, সজল দাশ, মো. তিতাস, মীর মো. ইমাদ, প্রিয়ংকা মন্ডল, সোনিয়া সুলতানা, হারাধন বাসু, আসিফ ইকবাল, রাশেদা আক্তার সুমি, রিমন মুহুরী, জি.এম ফয়সাল পারভেজ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











