কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাটে পিকআপ চাপায় ছয় ভাই নিহত হওয়ার ঘটনায় পরিবারকে কেন পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার কী পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে তা নিরুপণ করে ৪ ডিসেম্বর কঙবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। খবর বাংলানিউজের।
এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরীন ও আইনজীবী শাহীনুজ্জামান। আইন ও সালিশ কেন্দ্র, বাংলাদেশ লিগ্যল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উজ্জ্বল পাল ও জাহিদ হোসেন দোলন এ রিট করেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব, সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ), বিআরটিএর ট্রাস্টি বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে, ৩০ জানুয়ারি বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন সুরেশ চন্দ্র সুশীল। বাবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে এসে একটি পিকআপভ্যান চাপায় ৯ ভাইবোনের মধ্যে ৫ ভাইয়ের মৃত্যু হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে মালুমঘাট চট্টগ্রাম-কঙবাজার মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মৃত সুশীলের পাঁচ ছেলে অনুপম সুশীল (৪৬), নিরুপম সুশীল (৪০), দীপক সুশীল (৩৫), চম্পক সুশীল (৩০) ও স্মরণ সুশীল (২৯) নিহত হয়। আহত হয় আরও তিন ভাইবোন। এ দুর্ঘটনার ১৪ দিন পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুশীলের আরেক ছেলে রক্তিম সুশীল মারা যান।