চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে গণহত্যা চালানোর নির্দেশনা দেওয়া, উসকানি ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ১৪ জনের কল রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আলামত হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মনোয়ার হোসাইন তামীম গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানান। খবর বিডিনিউজের।
যাদের কথোপকথনের রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক তথ্য ও সমপ্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এবং সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আরো আছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এবং ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার সাবেক প্রধান হারুন–অর–রশীদ।
প্রসিকিউটর তামীম বলেন, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই থেকে ৪ আগস্টের মধ্যে এসব কথোপকথন রেকর্ড করা হয়। এসব কল রেকর্ডের মধ্যে জুলাই আন্দোলন চলাকালে গণহত্যার পেছনে নির্দেশনা, ষড়যন্ত্র ও ইনসাইটমেন্টের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তামীম বলেন, আমরা অনেকগুলো কল রেকর্ড পেয়েছি। তবে এর মধ্যে ১৪টি কল রেকর্ডে জুলাই আন্দোলন চলাকালে কীভাবে গণহত্যা চালানো হয়েছে এবং তার পেছনে কী ধরনের নির্দেশনা ও ষড়যন্ত্র ছিল, তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসব প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে। কল রেকর্ডের এসব কথোপকথনের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গণহত্যা চালানোর জন্য আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও সরকারের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি দেখানো যাবে। ওই ১৪ জনের বিরুদ্ধেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা বিচারাধীন রয়েছে।












