সৌদি আরবে ফের হামলা ইয়েমেনের হুতিদের

| বুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৮:০১ পূর্বাহ্ণ

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতিরা প্রতিবেশী সৌদি আরবের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তারা লোহিত সাগরের তীর বরাবর ইয়েমেনের উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও নিজেদের অবস্থান জোরদার করেছে। হুতিদের ত্বরিৎ অগ্রযাত্রার জবাবে কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, এ নিয়ে রিয়াদে যখন জরুরি আলোচনা চলছিল তখনই হামলার ওই ঘটনা ঘটে বলে ইয়েমেনের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। খবর বিডিনিউজের।

হুতিরা সোমবার জানায়, তারা সৌদি আরবের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাইতে বাদশা খালিদ বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। হামলায় তারা বিমান ঘাঁটিটির এয়ারক্র্যাফট হ্যাঙ্গার, রেডার সিস্টেম, রানওয়ে ও অস্ত্রাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলে দাবি করেছে। ইয়েমেনে সৌদি আরবের বিমান হামলার জবাবে খালিদ বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্যস্থল করা হয়েছে বলে হুতিরা জানিয়েছে। সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ খামিস মুশাইতসহ দক্ষিণাঞ্চলীয় আরও তিনটি শহরে জরুরি সতর্কাবস্থা জারি করে। ইয়েমেনের সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী জানিয়েছে, খামিস মুশাইতে হামলায় ১৩ বেসামরিক আহত হয়েছেন।

গত কয়েকদিনে হুতিরা লোহিত সাগরের বাব আলমান্দেব প্রণালির পেরিম দ্বীপসহ (মায়ুন দ্বীপ) ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। বৃহস্পতিবার আরেক ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের পূর্বপশ্চিম পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় সৌদি আরবের তেল রপ্তানি আরও চাপের মুখে পড়ে। পূর্বপশ্চিম তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার জন্য রিয়াদ ইরাকের ইরান সমর্থিত মিলিশিয়াদের দায়ী করেছে। সৌদি আরব ১৯৮০র দশকে ইরাকইরান যুদ্ধ চলাকালে ১২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইন তৈরি করেছিল যেন হরমুজ প্রণালিকে এড়িয়েও তেল রপ্তানি অব্যাহত রাখা যায়। ওই যুদ্ধের সময়ও হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি তৈরি হয়েছিল।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি সৌদি আরবের এ পাইপলাইন দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ৪ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে। পাইপলাইনটি কখন সচল হতে পারে সে বিষয়ে রিয়াদ কিছু বলেনি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএমিতে হরর-কমেডি সিরিজের বাজিমাত
পরবর্তী নিবন্ধসিএসইতে লেনদেন ১৯.২০ কোটি টাকা