অবশেষে শুরু হলো দীর্ঘ প্রতীক্ষার সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম বৈঠকেই সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। সংবিধান অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তার ভাষণের প্রতিবাদে ওয়াকআউট করেছে জামায়াতসহ বিরোধী দল। নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী বিকাল ৩টা ৩৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতিকে ভাষণ প্রদানের জন্য আহ্বান জানালে নানা স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেন প্রধান বিরোধীদল জামায়াতের নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপিসহ বিরোধী দলের এমপিরা। তিন মিনিট পর রাষ্ট্রপতি অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করলে তার সামনেই তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এ নিয়ে প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে চলে হট্টগোল। রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রতিবাদে ৩টা ৪০ মিনিটে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধীদল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে। হট্টগোল ও তীব্র হৈ চৈ এর মধ্যেই ভাষণ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অন্য সদস্যরা এসময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদের স্পিকারের বক্তব্যের পর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেছেন, আজকের এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ। দেশের মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। তিনি বলেন, আজ থেকে স্পিকার আর কোনো দলের নন, তিনি পুরো সংসদের অভিভাবক। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতান্ত্রিক মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে আমরা এই সংসদকে অর্থবহ করতে চাই।
তিনি আরো বলেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জনগণকে দুর্বল জনগোষ্ঠীতে পরিণত করা হয়েছিল এবং সংসদকে মানুষের অধিকার লুণ্ঠনকারীদের ক্লাবে পরিণত করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত দেড় দশকে যারা নিজেদের এমপি পরিচয় দিতেন, তারা কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না। কিন্তু আজকের সংসদ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদ। এটি বাংলাদেশের জনগণের সংসদ। তারেক রহমান বলেন, বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, বরং সুনির্দিষ্ট যুক্তি ও বিতর্কের মাধ্যমে সংসদকে প্রাণবন্ত করে তুলতে চাই আমরা। এক্ষেত্রে স্পিকারের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে সংসদ পরিচালনায় আমরা স্পিকারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।
এর আগে সকালে অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী স্বাগত বক্তব্য দেন। এসময় তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের নির্মমতার শিকার অসংখ্য মানুষের কান্না ও হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আবারও জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিত্বশীল জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের রাজনীতির এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছেন, যার অশেষ রহমতে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন যাত্রা শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রালগ্নে তিনি তাঁদের কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এসব আন্দোলন–সংগ্রামে যেসব মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন, যেসব সন্তান তাঁদের প্রিয়জন হারিয়েছেন, যেসব পরিবার স্বজন হারিয়েছে এবং যেসব আহত মানুষ স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছেন, তাঁদের অবদান তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি আরও বলেন, নির্যাতন, নিপীড়ন, রাজনৈতিক হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন, দেশের ছাত্র–জনতা, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, কামার–কুমার, জেলে–তাঁতি, গাড়িচালক, ব্যবসায়ী, সরকারি–বেসরকারি চাকরিজীবী, গৃহিণীসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ যারা গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন এবং মিথ্যা হামলা–মামলার শিকার হয়েছেন কিংবা জীবন্ত মানুষ কবরস্থানের মতো বর্বর বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’–এর মতো পরিস্থিতির মধ্যেও যাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে রুখে দেওয়া যায়নি, তাদের সাহসী ভূমিকায় দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই যাত্রালগ্নে দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতান্ত্রিক বীর ছাত্র–জনতাকে অভিনন্দন জানান। ভাষণে তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে সেই গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করে জাতীয় সংসদকে হাস্যরসের খোরাকে পরিণত এবং দেশে তাবেদারি শাসন–শোষণ কায়েম করা হয়। তিনি বলেন, দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন এবং জীবনে কখনো স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। আজ থেকে দেশে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় রাজনীতির প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জনগণের এই সাফল্যের মুহূর্তটি দেখে যেতে পারেননি। তাই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে আপসহীন নেতৃত্বের অধিকারী, স্মরণীয় ও অনুকরণীয় রাজনীতিবিদ মরহুমা খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন– ‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি সেই দলেই আছি’। অর্থাৎ ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নয়, জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে বড়– এটাই বিএনপির রাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি প্রথমবারের মতো বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য এবং সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং দল–মত, ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
তিনি বলেন, তাঁর রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার রাজনীতি। বিএনপির রাজনীতি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রাজনীতি। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই তাঁদের রাজনীতির লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমেই বিএনপি একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গণতান্ত্রিক জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা এবং জাতীয় সংসদের সকল দলের নির্বাচিত সদস্যদের সমর্থন প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, দল বা মত কিংবা কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তাবেদারমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম, নিরাপদ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদকে জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু না করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার সংসদকে অকার্যকর করে ফেলেছিল। তিনি বলেন, নতুন সংসদের যাত্রা শুরু করার সময় সংসদের সাবেক স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও পতিত ও পরাজিত সরকারের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট জনরোষের ফলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ কিংবা কেউ পলাতক রয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী ও তাবেদারি শাসন–শোষণের পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বিশেষ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির বিধান অনুসরণ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সভাপতিত্ব করার জন্য তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও পাঁচবারের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, সংসদীয় রীতিনীতির ইতিহাসে এ ধরনের পরিস্থিতি নজিরবিহীন নয়। ১৯৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ওই সংসদের সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নাম প্রস্তাব করেছিলেন এবং তার সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
খালেদা জিয়াসহ ৩১ জনের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশি–বিদেশি বিশিষ্ট ৩১ জনের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নিহত এবং মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণেও শোক প্রস্তাব আনা হয়।
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস, ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরেণ্য নাগরিক ও ব্যক্তিত্ব যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের স্মরণ করা হয় শোক প্রস্তাবে। জুলাই যোদ্ধা আবু সাঈদ, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ, শাহারিয়ার খান আনাস, মেহেদি হাসান জুয়েল, ফারহান ফাইয়াজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বরেণ্য নাগরিকদের নামও রাখা হয় শোক প্রস্তাবে। এরপর প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হয়।
শোক প্রস্তাব উত্থাপনের পর চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি আরো কয়েকটি নাম যুক্ত করার অনুরোধ জানান। তার প্রস্তাবে মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছাড়াও ঝিনাইদহ–২ আসনের সংসদ সদস্য মশিউর রহমানের নাম যুক্ত করার কথা বলা হয়। পরে স্পিকার তা অনুমোদন করেন। পরে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ফ্লোর নিয়ে শরিফ ওসমান বিন হাদী, আবরার ফাহাদ এবং ফেলানী খাতুনের নামও শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেন। স্পিকার তখন বলেন, এই নামগুলোও শোক প্রস্তাবে যুক্ত হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন : অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ গতকাল সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এগুলো উপস্থাপন করেন। এছাড়া গতকাল সংসদের কার্যউদেষ্টা কমিটি, বিশেষ কমিটি ও সংসদ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দর্শক গ্যালারিতে অধ্যাপক ইউনূস : গতকাল ভিভিআইপি দর্শক গ্যালারিতে বসে অধিবেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর পাশে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। এসময় দর্শক গ্যালারিতে তিন বাহিনী প্রধানের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত–হাইকশিনাররাও উপস্থিত ছিলেন।
অধিবেশন রোববার পর্যন্ত মূলতবি : রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধী দলের হট্টগোল ও ওয়াকআউটের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশন শেষ হয়েছে। নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) অধিবেশন আগামী রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেছেন। ওই দিন সকাল ১১টায় ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় কার্যদিবস শুরু হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে স্পিকার এ ঘোষণা দেন।












