আনোয়ারা কালাবিবির দীঘি থেকে বাঁশখালী–চকরিয়া ঈদমনি পর্যন্ত ৫৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পটির সংশোধিত ডিপিপি চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে ঢাকাস্থ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এই প্রকল্পের সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ঢাকাস্থ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে প্রেরণ করেন।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগের প্রেরিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প যাচাই কমিটির পর্যালোচনা সভায় একাধিক সংশোধন আনা হয়। প্রথম দফা ডিপিপিতে মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প যাচাই কমিটি যেসব বিষয়ে সংশোধন এনেছে সে বিষয়গুলো সংশোধন করে দ্বিতীয় দফা সংশোধিত ডিপিপি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, কর্ণফুলী টানেলকে বহুমুখী ব্যবহার উপযোগী করা এবং বিদ্যমান চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কমানোর লক্ষ্যে আনোয়ারা থেকে বাঁশখালী–পেকুয়া–বদরখালী হয়ে চকরিয়া ঈদমনি পর্যন্ত ৫৮ কিলোমিটারের এই আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রশস্তকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের পর প্রকল্পটি একনেক সভায় পাস হবে।
চট্টগ্রাম সওজ বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, ৫৮ কিলোমিটারের আঞ্চলিক এই সড়কটি প্রশস্তকরণের জন্য ডিপিপিতে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১২শ’ ৮৯ কোটি টাকা।
আনোয়ারার কালাবিবির দীঘি থেকে চকরিয়া পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কটি ১৮ থেকে ৩৪ ফুটে উন্নীত করা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের বিকল্প সড়ক হিসেবে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব কমবে।
পাশাপাশি টানেল হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের যে সম্ভাবনা রয়েছে তা আরও বেগবান হবে বলে জানান প্রকৌশলীরা।
জানা গেছে, কর্ণফুলী টানেলকে বহুমুখী ব্যবহার উপযোগী করা এবং বিদ্যমান চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কমানোর লক্ষ্যে আনোয়ারা থেকে বাঁশখালী হয়ে পেকুয়া–বদরখালী হয়ে চকরিয়া ঈদমনি পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রশস্তকরণে উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়।












