কক্সবাজারের রামুতে এক গৃহকর্তার বাড়ি থেকে সনিত্যা দেবী চাকমা (১৫) নামে এক কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের শ্রীধনপাড়া এলাকার সাধন বড়ুয়ার বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সনিত্যা দেবী চাকমা (মায়া) উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের তেলখোলা এলাকার কেউসিং চাকমার মেয়ে। সে গত দুই বছর ধরে সাধন বড়ুয়ার বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সাধন বড়ুয়ার তিনতলার রান্নাঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মায়াকে ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে। রাতেই ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের বাবা কেউসিং চাকমা ও মায়ের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারা বলেন, মায়ার নিজস্ব কোনো মুঠোফোন ছিল না। গৃহকর্তার নম্বরে ফোন করলে মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হতো না। ঘটনার দিনও অনেকবার ফোন করা হলেও কেউ ধরেনি। আমরা এই হত্যার বিচার চাই। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গৃহকর্তা সাধন বড়ুয়ার স্ত্রী বলেন, সামনে আমার বড় ছেলের বিয়ে। বিয়ের আনুষঙ্গিক কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় আমরা বাড়িতে ছিলাম না। এই অবস্থায় মেয়েটি কেন আত্মহত্যা করল, তা বুঝতে পারছি না। রামু থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ বলেন, মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার দাবি করা হচ্ছে। আমরা সব দিক মাথায় রেখে তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।












