আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের কো–চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেছেন– হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানি (রহ.) ছিলেন– “দ্বিতীয় সহস্রাব্দের সংস্কারক”। মুঘল সম্রাট আকবরের দ্বীনি ইলাহি নামক ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন গড়ে তুলে তিনি সুখ্যাতি লাভ করেন। অপরদিকে আ’লা হযরত ইমামে আহমদ রেজা খাঁন (রহ.) ছিলেন– চতুর্দশ শতাব্দীর সংস্কারক। যিনি মানুষের ঈমান আকিদা সুরক্ষা তথা জীবন পরিচালনায় প্রাসঙ্গিক অতীব গুরুত্বপূর্ণ দেড় সহস্রাধিক পুস্তক রচনা করে ইসলামের ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
অন্যান্য বক্তারা বলেছেন– ইসলামের মূলধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত এর সমপ্রসারণ ও বিস্তৃতিতে জগত বরেণ্য এ দু’জন মহান ব্যক্তিত্বের অনন্যসাধারণ অবদান কোনভাবেই বিস্মৃত হবার নয়। তাঁদের এহেন ঐতিহাসিক বৈপ্লবিক ভূমিকা বরাবরই প্রজন্মকে প্রাণিত করে। তাঁরা সত্যানুসন্ধানীদের নিকট মহাপ্রলয়অবধি প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
গাউছিয়া রহমানিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গত ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় সংস্থার হিলভিউস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রহ.) ও আ’লা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খাঁন ফাজেলে ব্রেলভী (রহ.) এর স্মরণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে তাঁরা উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
মাওলানা হাফেজ মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান কুতুবীর সঞ্চালনায় ও অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন পোমরা জামেউল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা মোহাম্মদ আবু তাহের। বিশেষ অতিথি ছিলেন–অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইব্রাহিম আখতারী, অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ আবু ছালেহ, সংগঠক মাওলানা মোহাম্মাদ ওয়াহেদ মুরাদ, মাওলানা এ এম মইনুদ্দিন চৌধুরী হালিম, মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মোহাম্মদ ইলিয়াস সওদাগর, আল্লামা শামসুল আলম নুরানী, মুহাম্মদ শামিল হাসান, মুহাম্মদ রকিব, তারেক বিন আহমদ, সৈয়দ মুহাম্মদ ফসিহ উদ্দিন আতায়ী, হাফেজ শাখাওয়াত হোসেন সাগর, আবদুল জলিল, হাফেজ মুহাম্মদ আরিফ, মুহাম্মদ রায়হান, মুহাম্মদ মিনহাজুল আমিন প্রমুখ। মাহফিল শেষে মিলাদ কিয়াম মুনাজাতের পর তাবারুক বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










