মারুবেহাগের বাঁশির সুরে শেষ হলো জাতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীত সম্মেলন

| শনিবার , ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ at ৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ

সানাই সম্রাট উস্তাদ বিসমিল্লাহ খাঁ’কে উৎসর্গ করে সদারঙ্গ উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিষদ বাংলাদেশ এ বছর আয়োজন করেছিল ২৯তম জাতীয় উচ্চাঙ্গ সংগীত সম্মেলনথিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে। গতকাল শুক্রবার ছিল শেষ দিন। সারং রাগের মিষ্টি সুরে এদিন শুরু হয় প্রভাতী অধিবেশন সকাল ৯ টায়। সারং রাগে খেয়াল পরিবেশন করেন চট্টগ্রামের কিশোরী শিল্পী স্বস্তিকা দাশগুপ্তা হৈমী। সহযোগিতা করেন তবলায় শিল্পী রাজিব চক্রবর্তী, হারমোনিয়ামে অর্পিতা দেবী দোলা ও তানপুরায় শিল্পী রুচিরা বড়ুয়া। এরপর কিশোরী শিল্পী অনন্যা দাশ পরিবশন করেন একক বংশী বাদন। তবলা সহযোগিতা করেন তারই গুরু শিল্পী রণধীর দাশ। এরপর শুরু হয় সেমিনার। বিষয় : উচ্চাঙ্গ সংগীতে বাণী ও তালের গুরুত্ব। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী। কথা আর গানের সমন্বয়ে বিষয় উপস্থাপন করেন পণ্ডিত ড. স্বর্ণময় চক্রবর্ত্তী। আলোচনা করেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ লিপন। পিলু বারোয়া ও ঝিঁঝিট রাগের সুরে সমবেত বংশী বাদনের মাধ্যমে সর্বশেষ অধিবেশন শুরু হয় বিকেল পাঁচটায়। অংশগ্রহণ করেন বংশীধ্বনির শিক্ষার্থীবৃন্দ। এতে তবলায় সহযোগিতা করেন অমিত চৌধুরী দীপ্ত। উদ্বোধক শিল্পী রিয়াজ ওয়ায়েজের শুভেচ্ছা পাঠ করে শোনান সদারঙ্গের সাধারণ সম্পাদক সমীর চক্রবর্ত্তী। একক পরিবেশনার শুরুতে বাগেশ্রী রাগে খেয়াল পরিবেশন করেন চট্টগ্রামের শিল্পী ফাল্গুনী বড়ুয়া অলি। এতে সহযোগী ছিলেন তবলায় রাজিব চক্রবর্তী, হারমোনিয়ামে শিল্পী অর্পিতা দেবী দোলা এবং তানপুরায় শিল্পী রুচিরা বড়ুয়া। সর্বশেষ চিত্তাকর্ষক ধুনের সুরে পর্দা নামলো এবারের উচ্চাঙ্গ সংগীত সম্মেলনের। উপস্থাপনায় ছিলেন রাজশ্রী বিশ্বাস ও অর্পিতা দেবী দোলা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে কুয়াশার গান, গাইবে চার ব্যান্ড
পরবর্তী নিবন্ধগ্রেপ্তারে বাধা : সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিল দক্ষিণ কোরিয়া